রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বাউফলে ১৫০টাকার দ্ব‌ন্দে অনার্স পরিক্ষার কেন্দ্র বা‌তিল বরিশাল জেলা মটরযান মেকানিক শ্রমিক ইউনিয়নের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর খলিসাখালীতে শিক্ষক বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ পানি ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করলেন ছাত্রদল সিসি ক্যামেরায় নকলমুক্ত সুষ্ঠু পরিবেশে কলাপাড়ায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু বরিশাল টেলিভিশন চিত্র সাংবাদিকদের নতুন কমিটি ঘোষণা কলাপাড়ায় কেন্দ্র সচিব এবং কক্ষ প্রত্যবেক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা বরিশাল মহানগর শ্রমিকদলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত চেম্বার অব কমার্সের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি পেশ স্কুলছাত্রীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় কিশোরের ওপর দফায় দফায় হামলা, থানায় অভিযোগ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত আবারো মৃত ডলফিন পটুয়াখালীতে ইফতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন ও  স্মারকলিপি প্রদান জনগণ চাইলে নির্বাচনে অংশ নেব — সাংবাদিক হাফিজুল ইসলাম শান্ত উজিরপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পিং-এর শুভ উদ্বোধন বরিশালে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে কুইজ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা
ঘরের কাজে সহযোগিতা করা সুন্নত

ঘরের কাজে সহযোগিতা করা সুন্নত

Sharing is caring!

ব্যক্তিজীবনে রাসুল (সা.) একজন সাধারণ মানুষের মতোই ছিলেন। অবসর সময়ে তিনি পারিবারিক কাজে অংশগ্রহণ করতেন। নিজের কাজ নিজেই করতেন। আসওয়াদ (রা.) বলেন, আমি একবার আয়েশা (রা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসুল (সা.) ঘরের মধ্যে কী কাজ করতেন? উত্তরে তিনি বললেন, তিনি ঘরের কাজে ব্যস্ত থাকতেন, অর্থাৎ গৃহস্থালি কাজে পরিবার-পরিজনের সহযোগিতায় থাকতেন। যখন নামাজের সময় হতো তখন নামাজে চলে যেতেন। (বুখারি, হাদিস নং : ৬৭৬)

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব হওয়া সত্ত্বেও রাসুল (সা.) কতটা নমনীয় ছিলেন এবং অতি সাধারণ কাজও নিজ হাতে করেছেন। বিভিন্ন হাদিসে সেগুলোর বিস্তর ধারণা ও বিবরণ পাওয়া যায়। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে আছে, তিনি অন্যান্য মানুষের মতোই একজন ছিলেন। নিজের কাপড়ের উকুন পরিষ্কার করতেন, বকরির দুধ দোহন করতেন এবং নিজের কাজ নিজেই করতেন। (মুসনাদ আহমদ, হাদিস নং : ২৬১৯৪)

আয়েশা (রা.) অন্য বর্ণনায় বলেন, তিনি নিজের কাপড় নিজেই সেলাই করতেন। নিজের জুতা নিজেই মেরামত করতেন এবং সাধারণ মানুষের মতোই ঘরের কাজকর্ম করতেন। (তিরমিজি, হাদিস নং : ২৪৫৮৯)

পরিবারের প্রতিটি কাজই নিজেদের কাজ। কাজগুলো ভাগাভাগি করে করলে একদিকে যেমন পরিবারের সবার ভেতরে শৃঙ্খলা ও ভালোবাসা বজায় থাকবে, তেমনি আমাদের সমাজ-সংসার থেকে বিলুপ্ত হতে যাওয়া রাসুল (সা.)-এর একটি মহৎ সুন্নতও পালন হবে। উপরন্তযু সুন্নতের নিয়তে পরিবারে যেকোনো ধরনের কাজ করলে, সার্বক্ষণিক সওয়াব লিপিবদ্ধ হতে থাকে। বর্ণনা রয়েছে, যে ব্যক্তি উম্মতের অধঃপতনের সময় একটি সুন্নতকে আঁকড়ে ধরে সে ১০০ শহিদের সওয়াব পাবে। (আল-কামেল : ৩/১৭৪)

হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি মুসলমানদের মধ্যে কোনো একটি ভালো সুন্নতের প্রসার করবে, সে ওই আমলকারীদের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, এ ক্ষেত্রে আমলকারীদের সাওয়াব বিন্দু পরিমাণও কমানো হবে না। আর যে ব্যক্তি মুসলমানদের মধ্যে কোনো একটি খারাপ কাজের প্রসার করবে, সে-ও ওই কুকর্মে জড়িতদের সমপরিমাণ গুনাহের অংশীদার হবে, এ ক্ষেত্রেও অপকর্মে লিপ্তদের গুনা বিন্দু পরিমাণ কমানো হবে না। (মুসলিম, হাদিস নং : ১০১৭)

দেশের প্রতিটি নাগরিক যদি রাসুল (সা.) এর বিভিন্ন সুন্নতের দিকে অনুপ্রাণিত হতেন, তাহলে পৃথিবীটা আরও অনেক সুন্দর ও উপভোগ্য হতো।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD