সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:২৪ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে- আল্লামা মামুনুল হক গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব কলাপাড়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে গাঁজাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৎস্য ব্যবসায়ী নি/হ/ত মহিপুর থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হবে…..এবিএম মোশাররফ হোসেন পটুয়াখালী-৪ নির্বাচনী আসনে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক প্রচারনা শুরু কলাপাড়ায় নারী ভোটারদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাবার বাড়ি থেকে দুই সন্তান নিয়ে স্ত্রী উধাও বরগুনা জেলা সাংবাদিক পরিষদের আত্মপ্রকাশ: সভাপতি সহিদুল, সম্পাদক ইবরাহীম পটুয়াখালী জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান কুতুব উদ্দিন তালুকদার অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচন হলে বিএনপি ক্ষমতায় যাবে…. বিএনপি নেতা মোশাররফ হোসেন বরিশাল উইমেন চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ ববি’র ফ্যাসিস্ট স্টাফ বাতেন আটক কলাপাড়ায় খালের চড়ে পুতে রাখা যুবকের লা/শ উদ্ধার গভীর রাতে প্রবাসির ঘর থেকে প্রেমিকসহ গৃহবধূ আটক, এলাকায় চাঞ্চল্যে
টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নিহত

টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নিহত

Sharing is caring!

ক্রাইমসিন২৪ অনলাইন ডেস্ক : কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা লেদা রোহিঙ্গা শিবির সংলগ্ন পাহাড়ে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী ও শিশু অপহরণকারী নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনটি দেশীয় তৈরি বন্দুক, আট রাউন্ড গুলি, ১১ রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (০৬ জুন) দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- উখিয়ার থাইংখালী ১৩ নম্বর ক্যাম্পের নুর মোহাম্মদের ছেলে শামসু আলম (৩৫), মোক্তার আহম্মদের ছেলে নুর আলম (২১) ও টেকনাফ হ্নীলা লেদা ক্যাম্পের আজিজুর রহমানের ছেলে হাবিব (২০)।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর এ তিন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর স্বীকারোক্তি মতে লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের পেছনের পাহাড়ে অস্ত্র উদ্ধারে যাই আমরা। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যান্য সন্ত্রাসী ও তাদের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। এসময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

তিনি বলেন, একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ, তিনটি দেশীয় তৈরি বন্দুক, আট রাউন্ড গুলি, ১১ রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

ওসি বলেন, বন্দুকযুদ্ধে নিহত তিনজনই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী ও অপহরণকারী। কিছুদিন আগে তারা তিন বছরের এক শিশুকে অপহরণের পর পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। পরে পুলিশের অভিযানের মুখে অপহরণকারীরা শিশুটিকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD