শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়ন করার দাবীতে বরিশাল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের সংবাদ সম্মেলন বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, মাছধরা ট্রলার সমূহকে সাবধানে চলাচলের নির্দেশ রাঙ্গাবালীতে বালু খেকোদের ড্রেজারে হুমকির মুখে মুক্তিযোদ্ধাদের চর বরিশাল বিমানবন্দর এরিয়া ভাঙ্গন রোধে কাজ করছে সরকার একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি কলাপাড়ায় শুরু হয়েছে মাসব্যাপী তাঁত শিল্প মেলা। হারানো সন্তানকে ফিরে পেতে মায়ের আর্তনাদ মহিপুরে দেড় হাজার গ্রামবাসীর সুবিধার্থে নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ কেন্দ্র উদ্বোধন বরিশালের গৌরনদী উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হারিছুরের পৈত্তিক বাড়ি এখন টর্চার সেল, মুখ খুললেন নেতারা গলাচিপায় কোমলমতি শিশুদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ গলাচিপায় দুর্বৃত্তের বিষ প্রয়োগে ১০ লক্ষ টাকার মাছ নিধন বরিশাল বোর্ডে পাশের হার ৮৯ দশমিক ১৩ শতাংশ ॥ শীর্ষে পিরোজপুর জেলা বরিশালে বিশ্ব মা দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বরিশালে আড়াই বছরের সাজার ভয়ে ১৬ বছর পলাতক বরিশাল জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

Sharing is caring!

অনলাইন ডেক্স: ভেলায় জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে বাঁধের বাইরে থাকা নিম্নাঞ্চলের অন্তত ১৫টি গ্রাম। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সেখানকার ৩৫ হাজার মানুষ।

বিপৎসীমার ওপরে পানি প্রবাহিত হওয়ায় টানা তিনদিন ধরে এ অবস্থা বিরাজ করছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উপকূলের মানুষ। জলাবদ্ধতায় বাড়ছে অসুখ-বিসুখ। পানিতে ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় রান্নার চুলো জ্বলেনি অনেকের ঘরে।

টানা তিনদিন ধরে এ অবস্থা চললেও স্থানীয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, খুব শিগগিরই এসব গ্রামকে বাঁধের আওতায় আনা হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, একদিকে প্রবল পানির চাপ অন্যদিকে জলাবব্ধতার দুর্ভোগ। পানিতে ভাসছে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, রাস্তা-ঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা। এমন চিত্র ভোলা সদরের রাজাপুর, ধনিয়া, ইলিশার ১৫ গ্রামের।

নিম্নচাপ এবং পূর্ণিমার প্রভাবে মেঘনার পানি বিপৎসীমার ৬৪ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হওয়ায় টানা তৃতীয় দিনের মত বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন এসব মানুষ। অনেকের ঘরে জ্বলেনি চুলো। শিশুদের বাড়ছে ওষুধ। তবুও নেই প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ এমন অভিযোগ পানিবন্দি মানুষের।

দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের সাথী আক্তার, ইয়ানুর ও হালিমা বেগমের অভিযোগ, জোয়ারের পানিতে এভাবে দুর্ভোগ পোহালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, বাঁধে আশ্রয় নিয়ে অনেকে কষ্টে আছেন উল্লেখ করে তারা আরও বলেন, পানিতে হাঁস-মুরগিসহ অনেক কিছু ভেসে গেছে, চুলা ডুবে যাওয়ায় রান্না হয়নি। ছেলে মেয়েরাও স্কুলে যেতে পারছে না।

এদিকে বেড়িবাঁধ না থাকায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বর্ষা মৌসুম জুড়ে দুর্ভোগ আর অসহায় জীবনযাপন করলেও নজর নেই কারো এমন অভিযোগ জনপ্রতিনিধিদের।

ইউপি সদস্য মাসুদ রানা বলেন, পুরো এলাকা ডুবে আছে, এসব মানুষের জন্য ত্রাণ সহায়তা দরকার। মানুষ অনেক কষ্টে আছে।

ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মিঠু চৌধুরী বলেন, দুই/তিনদিন ধরে জোয়ারে ভাসছে বাঁধের বাইরের মানুষ। কষ্ট আর দুর্ভোগে দিন কাটছে তাদের।

এ ব্যাপারে ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মু. হাসানুজ্জামান বলেন, বাঁধের বাইরের রাজাপুর ও শিবপুর অংশে সমীক্ষা চলছে, এ কার্যক্রম শেষ আমরা ব্যবস্থা নিতে পারব। তখন হয়ত খুব দ্রুত এসব এলাকাকে বিকল্প বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের আওতায় আনা হবে।

এ মৌসুমে মেঘনায় সর্বোচ্চ জোয়ার হয়েছে। উঁচু বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে উপকূলকে রক্ষার দাবি পানিবন্দি মানুষের।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2017
Design By MrHostBD