বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বাউফলে ২টি দোকান ও ২টি বসত ঘর আগুনে ভস্মীভূত কলাপাড়ায় ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থনে মিছিল এবং সমাবেশ পটুয়াখালী জেলা জাসাসের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন রাহাত আহবায়ক কায়ুম জুয়েল সদস্য সচিব পটুয়াখালীতে মায়ো ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ আমরা চাই দল মত নির্বিশেষে সকল মানুষকে এক জায়গায় নিয়ে আসতে। বিএনপি প্রার্থী …এবিএম মোশাররফ হোসেন দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে- আল্লামা মামুনুল হক গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব কলাপাড়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে গাঁজাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৎস্য ব্যবসায়ী নি/হ/ত মহিপুর থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হবে…..এবিএম মোশাররফ হোসেন পটুয়াখালী-৪ নির্বাচনী আসনে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক প্রচারনা শুরু কলাপাড়ায় নারী ভোটারদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাবার বাড়ি থেকে দুই সন্তান নিয়ে স্ত্রী উধাও বরগুনা জেলা সাংবাদিক পরিষদের আত্মপ্রকাশ: সভাপতি সহিদুল, সম্পাদক ইবরাহীম পটুয়াখালী জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান কুতুব উদ্দিন তালুকদার
রমজানে নাক-কান-গলার যত্নে করণীয়

রমজানে নাক-কান-গলার যত্নে করণীয়

Sharing is caring!

সাহরির সময় শেষ হওয়ার আগে ও ইফতারের সময় অনেকে তৈলাক্ত খাবার বেশি খেয়ে থাকে।  ফলে শরীরে বিভিন্ন প্রকার সমস্যা হয়ে থাকে। তাই রমজান মাসে খাদ্যাভ্যাসেও সংযমী হতে হবে।

সাইনোসাইটিস রোগীদের ক্ষেত্রে : সাইনোসাইটিস রোগীদের ক্ষেত্রে নাকে স্প্রে বা ড্রপ ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। অনেক রোগী জিজ্ঞাসা করে রোজা রেখে দিনের বেলায় নাকে ওষুধ দেওয়া যাবে কিনা? সেক্ষেত্রে সাহরির সময় শেষ হওয়ার আগে ও ইফতারের পরে নাকে ড্রপ বা স্প্রে ব্যবহার করা ভালো। দিনের বেলায় নাকে ড্রপ বা স্প্রে না দেওয়া ভালো।

কান পাকা রোগ ও অন্য সমস্যা :

কান পাকা রোগ বা কানে অন্যান্য রোগ হলে অনেক সময় কানে ওষুধ ব্যবহার করতে হয়। সেক্ষেত্রে সাহরির সময় শেষ হওয়ার আগে ও ইফতারের পরে কানে ওষুধ ব্যবহার করা ভালো। রোজা রেখে কানে ওষুধ দেওয়া যাবে না। কারণ কানের পর্দায় যদি ছিদ্র থাকে, এ ছিদ্রের মাধ্যমে ওষুধ গলায় চলে যেতে পারে।।

গলায় টনসিল প্রদাহে : টনসিল প্রদাহে বা গলার অন্যান্য ইনফেকশনের জন্য এন্টিবা-য়োটিক খেতে হয়। কিছু এন্টিবায়োটিক দিনে চারবার, কিছু আট ঘণ্টা পর পর, এবং অন্যান্য এন্টিবায়োটিক দুবার বা দিনে একবার খেতে হয়। পবিত্র রমজান মাসে আমরা দিনে একবার বা দুবার খেতে হয় এরকম ওষুধ ব্যবস্থাপত্রে দিয়ে থাকি। যাতে রোগী ইফতার করে বা সাহরি খাওয়ার আগে বা পরে ওষুধ খেতে পারে। কোনো রোগীর চেকআপ লাগলে তা রাতে করানো যেতে পারে। পবিত্র রমজান মাসে রোজাদারদের খাদ্যাভ্যাস একটা নিয়ম-নীতির মধ্যে চলে আসে। তাই পবিত্র রমজানে রোজাদাররা অনেক রোগ থেকে মুক্তি পায়। এবং শরীর ও মন সুস্থ থাকে। এমনকি পেপটিক আলসার, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য রোগ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। রমজান হলো সংযমের মাস, তাই ইফতার এবং সাহরির সময় সংযমী হওয়া প্রয়োজন।

লেখক : অধ্যাপক ডা. এম আলমগীর চৌধুরী, বিভাগীয় প্রধান, ইএনটি, আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD