বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ,সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির কলাপাড়ায় কুইজ প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণদের সন্মাননা ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বরিশাল মহানগর বিএনপির ঈদ উপহার বিতরণ পর্যটক আকর্ষনে ঈদকে ঘিরে কুয়াকাটায় চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি কলাপাড়ায় ঈদের চাঁদ উৎসব কলাপাড়ায় ১১ গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ উদযাপন করছে আগাম ঈদ পটুয়াখালীতে আজ ৩৫টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন পালিত হচ্ছে কলাপাড়ায় ৩৪টি এসএসসি ব্যাচের ‘হাইস্কুলিয়ান ইফতার ২০২৫’ অনুষ্ঠিত কলাপাড়া পৌর নির্বাচন।।মেয়র পদে নির্বাচন করতে তৎপর নান্নু মুন্সী কলাপাড়ায় জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে বেগম জিয়ার রোগমুক্তির জন্য ইফতার কলাপাড়া সাংবাদিক ক্লাবের ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠান কুয়াকাটায় ১০ দোকানে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন বিএনপি সভাপতির দুই ছেলে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ১১ নেতার পদ স্থগিত বাউফলে থানায় মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
হত্যা মামলায় ২ ভাইয়ের যাবজ্জীবন

হত্যা মামলায় ২ ভাইয়ের যাবজ্জীবন

Sharing is caring!

অনলাইন ডেক্স: পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে মো. রফিকুল ইসলাম (১৩) নামে এক কিশোর হত্যা মামলায় আপন দুই ভাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে  তাদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (০৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পিরোজপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ এসএম নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার দক্ষিণ কলারন গ্রামের মো. ফজলুল হকের ছেলে মো. হারুন ও আবুল কালাম ওরফে কালু। তাদের মধ্যে হারুন পলাতক।

রায়ে মামলার অভিযুক্ত অন্য তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

নিহত রফিকুল ইসলাম বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কোড়লিয়া গ্রামের মো. হালিম হোসেনের ছেলে। সে তার মায়ের সঙ্গে পিরোজপুরের ইন্দুরাকানী উপজেলার দক্ষিণ কলারন গ্রামে মামা বাড়িতে থাকত। ওই হত্যার ঘটনায় নিহতের মামা মোদাচ্ছের আলী হাওলাদার বাদী হয়ে পাঁচজনের নামে হত্যা মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২০০৬ সালের ৮ মার্চ  সকালে মো. রফিকুল ইসলাম ও তার বড় ভাই  মো. রিয়াদুল খেজুর গাছের রস নামাতে য়ায়। রফিকুল একটি গাছের রস নামিয়ে নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার জন্য রওনা হয়। এরপর অনেকক্ষণ পার হলেও রফিকুল ফিরে  না আসায় রিয়াদুল রস নিয়ে বাড়ি চলে যায়। পরে সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় ফজলুল হক নামে এক জেলে মাছ ধরতে যাওয়ার সময় স্থানীয় নুর মোহাম্মাদ তহশিলদারের মিষ্টি আলুর ক্ষেতে ওই কিশোরের রক্তাক্ত মরদেহ দেখে তার মামাকে খবর দেন।
পরে এ ঘটনায় মামলা করেন রফিকের মামা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি অ্যাডভোকেট মো. জহুরুল ইসলাম জানান, সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় দুই সহোদরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন বিচারক। অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD