শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
অর্থের অভাবে মৃর্ত্যু পথযাত্রী বাউফলের জহিরুল কলাপাড়ায় বিএনপির সমর্থককে মারধরের অভিযোগ কুয়াকাটায় আগুনে ভূস্মিভূত ৮ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অর্ধ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি কলাপাড়ায় গভীর রাতে বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান, ৪ জনকে কারাদণ্ড কলাপাড়ায় দূধর্ষ চুরি মাদকসহ যেকোনো অপরাধের সাথে কোন আপোষ নয়…….এবিএম মোশাররফ হোসেন, এমপি কলাপাড়ায় অটোরিকশা- মোটরসাইকেল সংঘর্ষ। আহত-৪ মহিপুর কেয়ার মডেল হাসপাতালে হামলা-ভাঙ্গচুর, আতঙ্কে রোগী-কর্মীরা কলাপাড়ায় রুফটপ সোলারে জাতীয় অগ্রাধিকারের আহ্বান রোজা ও ঈদে টানা কত দিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা? জনগণের মনে শান্তি-নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীর চেয়ারে কারাগারে তারুণ্য বিলানো রাজিব বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক থেকে তথ্যমন্ত্রী, জাতিসংঘে কাজের অভিজ্ঞতাও আছে স্বপনের ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দের সাথে কলাপাড়া পৌর বিএনপির মতবিনিময় তাঁতীদলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বরিশালে দোয়া অনুষ্ঠান
ফসলি জমিতে নষ্ট করে খাল খননের অভিযোগ পাউবোর বিরুদ্ধে

ফসলি জমিতে নষ্ট করে খাল খননের অভিযোগ পাউবোর বিরুদ্ধে

Sharing is caring!

বরগুনা প্রতিনিধি : বরগুনার তালতলীতে সরকারি খাল কাটার নামে কৃষকের ফসলী জমি নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বিরুদ্ধে। উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের কবিরাজ পাড়া গ্রাম থেকে বড় অমখোলা গ্রাম পর্যন্ত খাল খনন প্রকল্পে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে পাউবো খাল খনন করছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগে জানা যায়, সোনাকাটা ইউনিয়নের কবিরাজ পাড়া গ্রামে ফসলী বিলে স্থানীয় ফারুক খানের মালিকানাধীন জমি কেটে খাল খননে তৎপর হয়ে উঠে পড়ে লেগেছে একটি মহল। ২০০৮ সালে রাখাইনদের বন্দোবস্তপ্রাপ্ত কৃষি খাস জমি থেকে উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে ক্রয় সূত্রে মালিক হন তিনি। গত বছর পাউবো ওই জমিতে খাল কাটার একটি অনুমোদন করে। জমি মাপতে এলে খাল খনন করতে নিষেধ করলে তা না মানায় এ নিয়ে ফারুখ খান আদালতে মামলা করেন। এরপর এগারো বার পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে শুনানির জন্য ডাকা হলেও শেষপর্যন্ত শুনানি হয়নি।

এ বিষয়ে জমির মালিক ফারুক খান বলেন, আদালতের আইন অমান্য করে ঠিকাদার দুইটি ভেকু দিয়ে খাল কাটতে আসে। সকালে খাল কাটা শুরু করেলে ঠিকাদার সুমনকে ফোন দিলে সুমন ওই জমিতে যেতে নিষেধ করে এবং সেখানে গেলে চাঁদাবাজি মামলা দেয়া হবে বলে হুমকি দেয়। অপরদিকে ঠিকাদার সুমন বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, এ ধরনের কোনো কথা তিনি জানেন না। পাউবো সূত্রে জানা যায়, উপকূলীয় উন্নয়ন সংস্থার আওতায় সোনাকাটা ইউনিয়নের বড় আমখোলা থেকে কবিরাজ পাড়া গ্রামে ৭০০ মিটার খাল খনন করা হচ্ছে যার ব্যায় ধরা হয়েছে ১২ লাক্ষ টাকা।

কাজটি করছেন মিজানুর লিমিটেড ও নূর হোসেন লিমিটেড নামের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক ফারুক খান বলেন, আদালতের আইন অমান্য করে খাল খনন করায় থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ এসে কিছু সময়ের জন্য কাজ বন্ধ করে দিলেও পুলিশ যাওয়ার পরে আবার কাজ শুরু হয়। জেলার পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কায়সার জানান, ওই খাল খননের কারণে যেসব কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তাদের ক্ষতিপূরণের জন্য হাইকোর্ট একটি নির্দেশনা দিয়েছেন। যদি মালিকানাধীন জমি হয় তাহলে তারা ক্ষতিপূরণ পাবেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD