বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
মৎস্যজীবী দলের নেতাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন ফয়েজ খান অবশেষে লা/শ হয়ে ফিরলেন জেলে সরোয়ার বিএনপির নির্দেশনা মানছেন না অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ চোখের জলে বিদায় লিলেন রাখাইন ধর্মগুরু সংঘরাজ ভদন্ত উকোইন্দা মহাথেরো বাউফলে আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে ২ বোনকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ কলাপাড়ায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের হুইল চেয়ার বিতরন স্বাধীনতা দিবসে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঈদের চতুর্থ দিনে কুয়াকাটায় পর্যটকদের ঢল সৈকতে মোটরসাইকেলের অবাধ বিচরন, ঝুঁকিতে শিশু ও পর্যটক সম্পাদক পদে সবার পছন্দ এ্যাড আবুল কালাম আজাদ ইমন কলাপাড়ায় আগাম ঈদ উদযাপন করছে  ৮ গ্রামের ১০ হাজার মানুষ কলাপাড়ায় অদম্য-৯৭ ব্যাচের ইফতার অনুষ্ঠিত কুয়াকাটায় মানববন্ধনের জেরে শ্রমিক দল নেতাকে হত্যাচেষ্টা, পটুয়াখালীর কালাইয়াতে বিপুল পরিমাণ মাদক ও বার্মার সুল্কফাকি দেওয়া চোরাই সুপারি জব্দ ঢাকা দোহা থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার পলাতক আসামী রিয়াজুল র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার
খুলনা থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ

খুলনা থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ

Sharing is caring!

খুলনা: নতুন সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়নের প্রতিবাদে খুলনা থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে শ্রমিকরা।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ ধর্মঘটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।

পরিবহন শ্রমিক নেতারা বলছেন, দুর্ঘটনার মামলা জামিনযোগ্যসহ সড়ক আইনের কয়েকটি ধারা সংশোধন চান চালকরা। তাদের দাবি, আইন সংশোধনের পরই এটি কার্যকর করা হোক। এটা না করা পর্যন্ত আমাদের এ কর্মসূচি চলবে।

তারা বলেন, সরকারের বিভিন্ন দফতরে বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও আইনটি সংশোধন ছাড়াই বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে খুলনায় সব রুটের বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ২১ ও ২২ নভেম্বর শ্রমিক ফেডারেশন বর্ধিত সভা ডেকেছে। ওই সভার এজেন্ডাগুলোর মধ্যে এক নম্বরে আছে সড়ক পরিবহন আইন সম্পর্কে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ।

এদিকে হঠ্যাৎ করে খুলনা থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় হাজার হাজার যাত্রী দুর্ভোগে পড়েন।

খুলনা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম বেবী বলেন, নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকরের প্রতিবাদে শ্রমিকরা বাস চালাচ্ছেন না। তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেছেন।

তিনি আরও বলেন, কোনো কারণে দুর্ঘটনায় কেউ মারা গেলে নতুন আইনে চালকদের মৃত্যুদণ্ড এবং আহত হলে ৫ লাখ টাকা দিতে হবে। আমাদের এত টাকা দেওয়ার সামর্থ্য নেই এবং বাস চালিয়ে আমরা জেলখানায় যেতে চাই না। বাংলাদেশে এমন কোনো চালক নেই যে ৫ লাখ টাকা জরিমানা দিতে পারবে। কারণ একজন চালকের বেতন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। এ বাজারে যা দিয়ে সংসার চালানো, ছেলে-মেয়ের লেখাপড়ার খরচ চালানো দায়। সেখানে এত জরিমানা কি করে দেওয়া যাবে। এ কারণেই নতুন পরিবহন আইন সংস্কারের দাবি জানান শ্রমিকরা। নইলে তারা বাস চালাবেন না।

আক্ষেপ করে তিনি বলেন, সড়কে অবৈধ নসিমন-করিমন চলে তাদের কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে। এসব যানবাহন বন্ধ ও চালকদের জরিমানা করা হয় না। সব জেল-জরিমানা হয় বাস চালকদের।

খুলনা জেলা বাস মিনিবাস কোচ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন সোনা বলেন, শ্রমিকরা ফাঁসি ও যাবজ্জীবন দণ্ডের ভয়ে গাড়ি চালানো বন্ধ করে দিচ্ছে। আমাদের সঙ্গে আলোচনা না করেই তারা এসব করছে।

এদিকে ভোরে ঈগল পরিবহনসহ বেশ কয়েকটি পরিবহনের বাস মহানগরীর রয়্যাল কাউন্টার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। তবে সকাল ৯টার পর থেকে সব বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD