মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
আমরা চাই দল মত নির্বিশেষে সকল মানুষকে এক জায়গায় নিয়ে আসতে। বিএনপি প্রার্থী …এবিএম মোশাররফ হোসেন দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে- আল্লামা মামুনুল হক গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব কলাপাড়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে গাঁজাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৎস্য ব্যবসায়ী নি/হ/ত মহিপুর থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হবে…..এবিএম মোশাররফ হোসেন পটুয়াখালী-৪ নির্বাচনী আসনে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক প্রচারনা শুরু কলাপাড়ায় নারী ভোটারদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাবার বাড়ি থেকে দুই সন্তান নিয়ে স্ত্রী উধাও বরগুনা জেলা সাংবাদিক পরিষদের আত্মপ্রকাশ: সভাপতি সহিদুল, সম্পাদক ইবরাহীম পটুয়াখালী জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান কুতুব উদ্দিন তালুকদার অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচন হলে বিএনপি ক্ষমতায় যাবে…. বিএনপি নেতা মোশাররফ হোসেন বরিশাল উইমেন চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ ববি’র ফ্যাসিস্ট স্টাফ বাতেন আটক কলাপাড়ায় খালের চড়ে পুতে রাখা যুবকের লা/শ উদ্ধার
হত্যা মামলায় ২ ভাইয়ের যাবজ্জীবন

হত্যা মামলায় ২ ভাইয়ের যাবজ্জীবন

Sharing is caring!

অনলাইন ডেক্স: পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে মো. রফিকুল ইসলাম (১৩) নামে এক কিশোর হত্যা মামলায় আপন দুই ভাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে  তাদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (০৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পিরোজপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ এসএম নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার দক্ষিণ কলারন গ্রামের মো. ফজলুল হকের ছেলে মো. হারুন ও আবুল কালাম ওরফে কালু। তাদের মধ্যে হারুন পলাতক।

রায়ে মামলার অভিযুক্ত অন্য তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

নিহত রফিকুল ইসলাম বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কোড়লিয়া গ্রামের মো. হালিম হোসেনের ছেলে। সে তার মায়ের সঙ্গে পিরোজপুরের ইন্দুরাকানী উপজেলার দক্ষিণ কলারন গ্রামে মামা বাড়িতে থাকত। ওই হত্যার ঘটনায় নিহতের মামা মোদাচ্ছের আলী হাওলাদার বাদী হয়ে পাঁচজনের নামে হত্যা মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২০০৬ সালের ৮ মার্চ  সকালে মো. রফিকুল ইসলাম ও তার বড় ভাই  মো. রিয়াদুল খেজুর গাছের রস নামাতে য়ায়। রফিকুল একটি গাছের রস নামিয়ে নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার জন্য রওনা হয়। এরপর অনেকক্ষণ পার হলেও রফিকুল ফিরে  না আসায় রিয়াদুল রস নিয়ে বাড়ি চলে যায়। পরে সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় ফজলুল হক নামে এক জেলে মাছ ধরতে যাওয়ার সময় স্থানীয় নুর মোহাম্মাদ তহশিলদারের মিষ্টি আলুর ক্ষেতে ওই কিশোরের রক্তাক্ত মরদেহ দেখে তার মামাকে খবর দেন।
পরে এ ঘটনায় মামলা করেন রফিকের মামা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি অ্যাডভোকেট মো. জহুরুল ইসলাম জানান, সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় দুই সহোদরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন বিচারক। অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD