শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
আমীর খসরু: বলেছেন, আমি অনির্বাচিত সরকারের ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে চাই না আহবায়ক সজল, সদস্য সচিব কালা।।কলাপাড়ায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের কমিটি গঠন কুয়াকাটায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা কলাপাড়ায় ৫ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার দুই চোখ তুলে নেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত অপর দুই ভাইয়ের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ জলবায়ু সুশাসন শক্তিশালী করণে তৃণমূলের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার গলাচিপায় বিএনপির নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ নজরুল মাতুব্বরের বিরুদ্ধে কলাপাড়ায় পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্তদের আট দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিক-শ্রমিকদের ধর্মঘট আমরা আগামী ৫০ দিন সময় বেঁধে দিলাম শাসক নয় সেবক হিসেবে আপনাদের পাশে থাকতে চাই ।। মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ কলাপাড়ায় টাইফয়েড ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত কুয়াকাটা সৈকতে অজ্ঞাত ব্যক্তির ম/র/দেহ উদ্ধার বরিশাল নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলনে কলাপাড়া পৌর ওলামা দলের কর্মী সভা
প্রেমিকা হত্যায় প্রেমিকের ফাঁসি

প্রেমিকা হত্যায় প্রেমিকের ফাঁসি

Sharing is caring!

অনলাইন ডেক্স: মাদারীপুরে প্রেমিকা ফরিদা আক্তারকে হত্যার দায়ে প্রেমিক শহিদুল মোল্লাকে (৪২) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে জেলার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক লায়লাতুল ফেরদৌস এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত শহিদুল মোল্লা উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের ব্রাহ্মণদী এলাকার মোহাম্মদ মোল্লার ছেলে।

মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, শহিদুল মোল্লার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মহিষেরচর এলাকার আব্দুল করীমের মেয়ে ফরিদা আক্তারের। ফরিদা ২০০৮ সালের ৬ মে সকালে শহিদুল মোল্লার সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। পরদিন ৭ মে সকালে কালকিনি উপজেলার দক্ষিণ ধুয়াসার এলাকার কাদের কবিরাজের পেঁপে বাগান থেকে ফরিদার মৃতদেহ উদ্ধার করে কালকিনি থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই আব্দুল হান্নান ওই দিনই শহিদুল মোল্লা ও অজ্ঞাতনামা আরো বেশ কয়েকজনকে আসামি করে কালকিনি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর পরই শহিদুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পরে এ ঘটনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কালকিনি থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ ঘটনা তদন্তের পর ২০০৯ সালের ২২ জুন শহিদুল মোল্লাকে একমাত্র অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এরপর আদালত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। দীর্ঘ ১৪ বছর যুক্তিতর্ক শেষে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় মঙ্গলবার এ রায় দেন বিচারক।

মামলার বাদী নিহতের ভাই আব্দুল হান্নান বলেন, ১৪ বছর পর আমার বোন হত্যা মামলার রায় পেলাম। আদালতের এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। আদালতের কাছে একটাই দাবি, এ রায় যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়।

মাদারীপুর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. সিদ্দিকুর রহমান সিং বলেন, শহিদুল মোল্লা ভিকটিমকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েও বিয়ে করেননি। পরে ভিকটিমকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেন। এ রায়ে আমরা রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD