শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কলাপাড়ায় গভীর রাতে বসতঘর থেকে গৃহবধূ নিখোজ, জনমনে নানা প্রশ্ন হত্যা না গুম ঈদের তৃতীয় দিনে পর্যটকে কনায় কানায় পরিপূর্ন কুয়াকাটা সৈকত সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ,সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির কলাপাড়ায় কুইজ প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণদের সন্মাননা ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বরিশাল মহানগর বিএনপির ঈদ উপহার বিতরণ পর্যটক আকর্ষনে ঈদকে ঘিরে কুয়াকাটায় চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি কলাপাড়ায় ঈদের চাঁদ উৎসব কলাপাড়ায় ১১ গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ উদযাপন করছে আগাম ঈদ পটুয়াখালীতে আজ ৩৫টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন পালিত হচ্ছে কলাপাড়ায় ৩৪টি এসএসসি ব্যাচের ‘হাইস্কুলিয়ান ইফতার ২০২৫’ অনুষ্ঠিত কলাপাড়া পৌর নির্বাচন।।মেয়র পদে নির্বাচন করতে তৎপর নান্নু মুন্সী কলাপাড়ায় জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে বেগম জিয়ার রোগমুক্তির জন্য ইফতার কলাপাড়া সাংবাদিক ক্লাবের ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠান কুয়াকাটায় ১০ দোকানে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন বিএনপি সভাপতির দুই ছেলে
কলাপাড়ায় উজাড় হচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল

কলাপাড়ায় উজাড় হচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল

Sharing is caring!

পটুয়াখালী (কলাপাড়া) বিশেষ প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর মহিপুরে গত কয়েক বছর ধরে বন বিভাগের গাছ কেটে তৈরি হচ্ছে আবাদি জমি, বসত ভিটা। উজার হচ্ছে উপকূলীয় এলাকার সংরক্ষিত বনাঞ্চল। প্রকৃতির দেয়ালখ্যাত বনাঞ্চল এমন র্নিবিচার ধ্বংসে শংকিত এলাকাবাসী,তবে বন খেকোদের বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা দিয়ে দায় সারছে বনবিভাগ।

কলাপাড়ার বিস্তীর্ন উপকূল জুড়ে বনবিভাগের দেড় লক্ষ একর জমির মধ্যে প্রায় পঞ্চান্ন হাজার ২৮৫ একর জমিতে রয়েছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল। গত এক দশকে ছোট-বড় বেশ কয়েকটি প্রাকৃতিক দুর্যোগে উপকূলীয় এসব বনাঞ্চলের হয়েছে ব্যাপক ক্ষতি।

সমুদ্রের অব্যাহত বালু ক্ষয়ের ফলে ইতোমধ্যে বিলিন হয়ে গেছে কুয়াকাটার ঝাঊ বাগান, ইকোপার্ক, নারিকেল বাগান, চর গংঙ্গামতি, কাঊয়ার চরের বনের অধিকাংশ গাছ। উপকূলীয় বাধ উন্নয়ন
প্রকল্পের কাজের জন্য কেটে ফেলা হয়েছে প্রায় ৩৯ কি.মি বেরিবাঁধের গাছ।

এ অবস্থায় স্থানীয় একটি চক্র চরগংঙ্গামতি ও কাঊয়ারচর বনাঞ্চলের গাছ কেটে কান্ড আগুনে পুড়িয়ে দিচ্ছে মাটি চাপা। এতে দ্রুত কান্ড পঁচে গিয়ে নিশ্চিহ্ন হচ্ছে গাছের প্রমান। আর এভাবেই সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গাছ কেটে তৈরি করছে আবাদি জমি। প্রভাবশালী এসব বন উজারকারী ও জমি দখলকারীদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে রাজি নয় এলাকাবাসী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কাউয়ার চর ও গংগামতি এলাকার বেশ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, রাতের অন্ধকারে গাছ কেটে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। এরপর
গাছের কান্ড আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মাটি চাপা দিয়ে দেয়া হচ্ছে। পরে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তায় ওই জমিতে কৃষিকাজ করা হচ্ছে। কেউ বসত ঘর তুলেছে। অনেকেই আবার এসব জমির ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করছে।

মহিপুর বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত রেজ্ঞ কর্মকর্তা আবুল কালাম বলেন, যারা গংগামতি ও কাউয়ার চর এলাকার বন বিভাগের গাছ কেটেছে তাদের
বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দেয়া হয়েছে। জনবল সংকটের কারনে প্রভাবশালী এসব জমি দখলকারীদের হাত থেকে রক্ষা করা যাচ্ছে না বনাঞ্চল।

বিশালায়তনের একটি ফরেস্ট বিট এলাকা দেখভাল করতে হচ্ছে একজন বিট কর্মকর্তাকে। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক তরিকুল ইসলাম বলেন, একটি দেশের পরিবেশগত ভারসম্য বক্ষার জন্য ২৫ ভাগ বনাঞ্চল থাকা দরকার। এসব বন শুধু ভারসম্য রক্ষা নয় মানুষের জীবন-জীবিকায় গুরুত্বপূর্ন ভ্থমিকা রাখছে।

পটুয়াখালী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, যারা বনের গাছ কাটছেন বা ধ্বংস করছেন তাদের বিরুদ্ধেই আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের সহায়তায় বন বিভাগের দখল হওয়া জমি উদ্বারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD