বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
রোজা ও ঈদে টানা কত দিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা? জনগণের মনে শান্তি-নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীর চেয়ারে কারাগারে তারুণ্য বিলানো রাজিব বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক থেকে তথ্যমন্ত্রী, জাতিসংঘে কাজের অভিজ্ঞতাও আছে স্বপনের ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দের সাথে কলাপাড়া পৌর বিএনপির মতবিনিময় তাঁতীদলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বরিশালে দোয়া অনুষ্ঠান বিয়ে করতে এসে তেতুলিয়া নদীতে নিখোঁজ যুবক ২৩ ঘণ্টা পেরিয়েও মেলেনি হাসানের খোঁজ বাউফলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় শাপলা কাব ও প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পরীক্ষা-২০২৬ অনুষ্ঠিত অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন বিএনপি এবিএম মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রী চেয়ে জোরালো দাবি উপকূলবাসীর ভোটে জিতে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মিলাদ বিশ্ব ভালোবাসা দিবসেও পর্যটক শূন্য কুয়াকাটা বাউফলে নির্বাচন পরবর্তী সৌহার্দপূর্ণ আচারন এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পটুয়াখালী জেলার তিন এমপির তালিকায় কে কে হবেন মন্ত্রী পরিষদের সদস্য
বাংলাদেশে শীতকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কোন কোন বছরে

বাংলাদেশে শীতকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কোন কোন বছরে

Sharing is caring!

কথায় আছে, ‘পৌষের শীত মোষের গায়, মাঘের শীতে বাঘ পালায়’। অর্থাৎ, পৌষের শীতে মোষ কাতর হয়, আর বাঘ জড়সড় থাকে। কিন্তু মাঘের শীতে বাঘও কাতর হয়।

পৌষ ও মাঘ, এই দুই মিলে শীতকাল। আর ইংরেজি ক্যালেন্ডার হিসেবে বাংলাদেশ ও এর আশেপাশের অঞ্চলগুলোতে জানুয়ারিকে বলা হয় বছরের শীতলতম মাস।

যদিও শীতের আবহ আসতে শুরু করে পৌষের (ডিসেম্বর-জানুয়ারি) মাঝামাঝি সময় থেকে। আবার অনেক সময় অগ্রহায়ণ (নভেম্বর-ডিসেম্বর) থেকেই শীতের বাতাস টের পাওয়া যায়।

এবারের শীতকালও তার ব্যতিক্রম নয়। বিদায়ী বছরের ডিসেম্বরে, অর্থাৎ পৌষের এই মাঝামাঝি সময়েই দেশজুড়ে যে মাত্রায় শীত পড়েছে, তাতে জনজীবন প্রায় বিপর্যস্ত।

ডিসেম্বরের শেষের দিকে টানা কয়েক দিন বাংলাদেশের মতো গ্রীষ্মপ্রধান দেশে সূর্যের দেখা মেলেনি। চারদিক ছিল ঘন কুয়াশায় ঢাকা। বিশেষ করে গত ২৯ ডিসেম্বর।

এমনও হয়েছে যে মাথা থেকে পা পর্যন্ত শীতের কাপড়ে মুড়িয়ে কেউ রাস্তায় হাঁটছে, কিন্তু মনে হচ্ছে নাকে-মুখে যেন গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ফোঁটা পড়ছে।

মজার বিষয় হলো, এই বিষয়টি অনুভব করলেও চোখে দেখা যায়নি। অনেকের কাছে এটিকে তুষারপাতও মনে হয়েছে।

ইতিহাস বলছে, এবারের শীতে মানুষ যে ধরনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, এই অঞ্চলের মানুষ এর আগে আরও বেশি হাঁড় কাপানো-হিমশীতল শীতকাল দেখেছে।

বর্তমানে দেশজুড়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের মোট ৪৮টি আবহাওয়া স্টেশন রয়েছে।

১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ নামক দেশটির জন্ম হয়। তার আগে এটি প্রথমে ব্রিটিশ ভারতের, পরবর্তীতে পাকিস্তানের অংশ ছিল।

তবে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের কাছে সেই ভারত-পাকিস্তান ভাগের সময় থেকে, অর্থাৎ ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড আছে।

যদিও তখন স্টেশন সংখ্যা এত বেশি ছিল না, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এগুলো বাড়িয়েছে সরকার।

আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত ওই সময়ের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড থেকে দেখা যায় যে, বাংলাদেশের তাপমাত্রা তিন ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও নীচে নেমেছিলো, আর তা একাধিকবার।

১৯৬৪ সালে সিলেটের শ্রীমঙ্গলের তাপমাত্রা ছিল সর্বনিম্ন, তিন দশমিক তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চার বছরের মাথায় শ্রীমঙ্গলের তাপমাত্রার পারদ আরও নীচে নামে। ১৯৬৮ সালের চৌঠা ফেব্রুয়ারি সেখানকার তাপমাত্রা রেকর্ড হয় দুই দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস।

স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯৬৮ সালের রেকর্ডকে সহসা ছুঁতে পারেনি।

কিন্তু ঠিক ৫০ বছর পর, ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের শীত ওই রেকর্ড ভেঙ্গে দেয়। সে বছর পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় দুই দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD