মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কলাপাড়ায় কেন্দ্র সচিব এবং কক্ষ প্রত্যবেক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা বরিশাল মহানগর শ্রমিকদলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত চেম্বার অব কমার্সের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি পেশ স্কুলছাত্রীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় কিশোরের ওপর দফায় দফায় হামলা, থানায় অভিযোগ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত আবারো মৃত ডলফিন পটুয়াখালীতে ইফতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন ও  স্মারকলিপি প্রদান জনগণ চাইলে নির্বাচনে অংশ নেব — সাংবাদিক হাফিজুল ইসলাম শান্ত উজিরপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পিং-এর শুভ উদ্বোধন বরিশালে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে কুইজ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো ৮ ফুট লম্বা মৃত ইরাবতী ডলফিন বরিশাল কালেক্টরেট স্কুলের এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা কলাপাড়ায় স্যাডো ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাঁড়ালেন সদর আসনের এম পি সরোয়ার বরিশালে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও নারী শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে উঠান বৈঠক বরিশালে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ভাতার দাবিতে মানববন্ধন
কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

Sharing is caring!

অনলাইন ডেক্স: বরিশাল ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের দায়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (১১ অক্টোবর) বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইয়ারব হোসেন এ রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী মো. হুমায়ন কবির এ তথ্য জানিয়েছেন।

মামুন রায় ঘোষণার সময় এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। তিনি ঝালকাঠি সদর উপজেলার বালিঘোনা এলাকার আব্দুস ছত্তারের ছেলে।

মামলার বরাতে বেঞ্চ সহকারী মো. হুমায়ন কবির জানান, বিএম কলেজের এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মামুনের। বিয়ের প্রলোভন দিয়ে মেয়েটিকে নিয়ে নগরের লুৎফর রহমান সড়কের হাসিব ভিলায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতে শুরু করেন তিনি। ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৫ সালের ২১ জুন পর্যন্ত ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে সেখানে থাকতেন ওই কলেজ ছাত্রী ও মামুন।

বিষয়টি জানতে পেরে মামুনের বাবা আবদুস ছত্তার ও মা আলফু বেগম সেখানে গিয়ে বিয়ে করানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে মামুনকে বাড়ি নিয়ে যান। এরপর মামুন ও তারা বাবা-মা ওই ছাত্রীকে মেনে নিতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন। এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ৯ জুলাই কলেজ ছাত্রী মামুন ও তার বাবা-মাকে আসামি করে মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানায় মামলা করেন।

একই বছরের ৭ সেপ্টেম্বর থানার ওই সময়ের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহমান তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। বিচারক পাঁচজনের সাক্ষ্য নিয়ে বুধবার মামুনকে এ সাজা দেন। আর মামুনের বাবা ও মায়ের বিচার কাজ উচ্চ আদালত থেকে স্থগিত রয়েছে। তাই তাদের বিচার হয়নি। উচ্চ আদালতের নির্দেশে পরে তাদের বিচার হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD