বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন
ক্রাইম সিন ডেস্ক: বরিশাল বাবুগঞ্জের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে শুধুই হলুদের সমারোহ। যেদিকে চোখ যায় শুধু হলুদ আর হলুদ। সরিষা ফুলের হলুদ রঙের বর্ণিল আভায় ছেয়ে গেছে গোটা ফসলের মাঠ। বাবুগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের মাঠে সরিষা ফুলের হলুদ রঙের সমারোহ লক্ষ করা গেছে।
চলতি মৌসুমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ জাওয়াদের প্রভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হন সরিষাচাষি। তবে যথাসময়ে সরিষা ঘরে তুলতে পারলে ও ভালো দাম পেলে ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবেন বলে মনে করছেন বাবুগঞ্জ উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ভূতেরদিয়া( বোয়ালিয়া) গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, মাঠজুড়ে শোভা পাচ্ছে সরিষাখেত। দূর থেকে দেখলে মনে হবে বিশাল এক হলুদের চাদরে ঢেকে আছে ফসলের মাঠ।
সরিষা চাষি সুমন হাওলাদার বলেন, সরিষা চাষে শ্রম ও খরচ দুই-ই কম। তাই সরিষা চাষ করেছি। তবে এবছর ঘূর্ণিঝড় জাওয়ায়েদ প্রভাবে কিছুটা ক্ষতি হয়েছে।
চাষি আলমগীর হোসেন বলেন, সরিষা এবার ভালোই হইছিল। মাঝে টানা বৃষ্টিতে জমিতে পানি মজে অনেক গাছ মরে গেছে। এই জন্য এইবার সরিষা কম উৎপাদন হবে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় এবছর ৩০০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষাবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল। ঘূর্ণিঝড় জাওয়ায়েদ প্রভাবে ১০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ কম হয়েছে।
গত বছর চাষাবাদের লক্ষ মাত্রা ধরা হয়েছিল ২৫০ হেক্টর। আবাদ করা হয়েছিল ২৯০ হেক্টর। আর সরিষা উৎপাদন হয়েছিল ৩৮১মেট্রিক টন। হেক্টরপ্রতি ১ দশমিক ৩ মেট্রিক টন করে সরিষা উৎপাদন হয়েছিল।
বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ নাসির উদ্দীন জানান, জাওয়াদের প্রভাবে চাষিরা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তাই লক্ষ মাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ কম হয়েছে। তবে আশাবাদী এবছর সরিষা উৎপাদন ভালো হবে।