শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কলাপাড়ায় গভীর রাতে বসতঘর থেকে গৃহবধূ নিখোজ, জনমনে নানা প্রশ্ন হত্যা না গুম ঈদের তৃতীয় দিনে পর্যটকে কনায় কানায় পরিপূর্ন কুয়াকাটা সৈকত সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ,সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির কলাপাড়ায় কুইজ প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণদের সন্মাননা ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বরিশাল মহানগর বিএনপির ঈদ উপহার বিতরণ পর্যটক আকর্ষনে ঈদকে ঘিরে কুয়াকাটায় চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি কলাপাড়ায় ঈদের চাঁদ উৎসব কলাপাড়ায় ১১ গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ উদযাপন করছে আগাম ঈদ পটুয়াখালীতে আজ ৩৫টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন পালিত হচ্ছে কলাপাড়ায় ৩৪টি এসএসসি ব্যাচের ‘হাইস্কুলিয়ান ইফতার ২০২৫’ অনুষ্ঠিত কলাপাড়া পৌর নির্বাচন।।মেয়র পদে নির্বাচন করতে তৎপর নান্নু মুন্সী কলাপাড়ায় জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে বেগম জিয়ার রোগমুক্তির জন্য ইফতার কলাপাড়া সাংবাদিক ক্লাবের ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠান কুয়াকাটায় ১০ দোকানে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন বিএনপি সভাপতির দুই ছেলে
আমতলীতে পুলিশ পরিদর্শকের কক্ষে যুবকের ঝুলন্ত লাশ

আমতলীতে পুলিশ পরিদর্শকের কক্ষে যুবকের ঝুলন্ত লাশ

Sharing is caring!

বরগুনার আমতলী থানার পুলিশ পরিদর্শকের (তদন্ত) কক্ষ থেকে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

শানু হাওলাদার নামের ওই যুবককে হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে আটক করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার সকালে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রির কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

শানু হাওলাদার আমতলী উপজেলার পশ্চিম কলাগাছিয়া গ্রামের হযরত আলীর ছেলে।

শানুর পরিবারের অভিযোগ, বুধবার রাতে হত্যার পর তার লাশ ওই থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রি ও ডিউটি অফিসার এএসআই মো. আরিফুর রহমান ঝুলিয়ে রাখেন।

এ ঘটনায় বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন বৃহস্পতিবার সকালে অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন। একইসঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমেদকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছেন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেড কোয়ার্টার মহররম ও সহকারী পুলিশ সুপার আমতলী তালতলী সার্কেল মো. রবিউল ইসলাম।

শানুর পরিবার জানায়, তাকে আমতলী থানার পুলিশ সোমবার রাতে হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসাবে আটক করে। তাকে আটকে রেখে দফায় দফায় নির্যাতন করে পুলিশ।

বুধবার রাতে পুলিশের নির্যাতনে শানু মারা গেলে ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা গলায় রশি লাগিয়ে পরিদর্শক (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রীর কক্ষে ঝুলিয়ে রাখে।

নিহত শানুর স্ত্রী ঝরনা বেগমের অভিযোগ, তার স্বামীকে সোমবার রাতে বাড়ি থেকে আটক করে আমতলী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঝরনা থানায় স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে গেলে তার কাছে তিন লাখ টাকা দাবি করে পুলিশ। পরে ১০ হাজার টাকা দেন ঝরনা।

ঝরনার অভিযোগ, বুধবার রাতে তার স্বামীকে নির্যাতন করে মেরে মনোরঞ্জন মিস্ত্রীর কক্ষে রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়।

আমতলী থানার ওসি আবুল বাশার জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD