শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
রোজা ও ঈদে টানা কত দিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা? জনগণের মনে শান্তি-নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীর চেয়ারে কারাগারে তারুণ্য বিলানো রাজিব বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক থেকে তথ্যমন্ত্রী, জাতিসংঘে কাজের অভিজ্ঞতাও আছে স্বপনের ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দের সাথে কলাপাড়া পৌর বিএনপির মতবিনিময় তাঁতীদলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বরিশালে দোয়া অনুষ্ঠান বিয়ে করতে এসে তেতুলিয়া নদীতে নিখোঁজ যুবক ২৩ ঘণ্টা পেরিয়েও মেলেনি হাসানের খোঁজ বাউফলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় শাপলা কাব ও প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পরীক্ষা-২০২৬ অনুষ্ঠিত অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন বিএনপি এবিএম মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রী চেয়ে জোরালো দাবি উপকূলবাসীর ভোটে জিতে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মিলাদ বিশ্ব ভালোবাসা দিবসেও পর্যটক শূন্য কুয়াকাটা বাউফলে নির্বাচন পরবর্তী সৌহার্দপূর্ণ আচারন এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পটুয়াখালী জেলার তিন এমপির তালিকায় কে কে হবেন মন্ত্রী পরিষদের সদস্য
ঘুষের অভিযোগ থেকে সিনহাকে অব্যাহতি

ঘুষের অভিযোগ থেকে সিনহাকে অব্যাহতি

Sharing is caring!

বাংলাদেশ জাতীয় জোটের (বিএনএ) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার করা ঘুষের মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি মর্মে গত ৪ ডিসেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক সৈযদ ইকবাল হোসেন প্রতিবেদন দাখিল করেন। অভিযোগ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশও করা হয় প্রতিবেদনে।

সেই প্রতিবেদন সম্প্রতি উপস্থাপন করা হলে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এসকে সিনহাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন।

ওই আদালতে দুদকের পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম রোবাবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এসকে সিনহার বিরুদ্ধে দু’টি মামলা ছিল। যার মধ্যে নাজমুল হুদার মামলায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছিলেন তদন্ত কর্মকর্তা।

আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন। চার কোটি টাকা স্থানান্তর ও আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা অপর মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের পর বিচার শুরুর প্রক্রিয়া চলছে।

২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর এসকে সিনহার বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। পরে দুদক তদন্ত শুরু করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন।

তদন্ত শেষে দুদক জানায়, প্রাথমিকভাবে মামলাটি কাল্পনিক ও সাজানো প্রমাণিত। অসৎ উদ্দেশ্যে আদালতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে নাজমুল হুদা মিথ্যা মামলা করেছেন। প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে ২০০৪ এর ২৮(গ) (২) ধারায় একটি নিয়মিত মামলার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD