সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
চেম্বার অব কমার্সের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি পেশ স্কুলছাত্রীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় কিশোরের ওপর দফায় দফায় হামলা, থানায় অভিযোগ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত আবারো মৃত ডলফিন পটুয়াখালীতে ইফতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন ও  স্মারকলিপি প্রদান জনগণ চাইলে নির্বাচনে অংশ নেব — সাংবাদিক হাফিজুল ইসলাম শান্ত উজিরপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পিং-এর শুভ উদ্বোধন বরিশালে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে কুইজ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো ৮ ফুট লম্বা মৃত ইরাবতী ডলফিন বরিশাল কালেক্টরেট স্কুলের এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা কলাপাড়ায় স্যাডো ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাঁড়ালেন সদর আসনের এম পি সরোয়ার বরিশালে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও নারী শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে উঠান বৈঠক বরিশালে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ভাতার দাবিতে মানববন্ধন পটুয়াখালী সদর উপজেলা শিক্ষক কর্মচারী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি আবু জাফর সাধারণ সম্পাদক বিদ্যুৎ পাল বাউফলে নার্সিং ইনস্টিটিউটে শিক্ষক সংকট,পরিচ্ছন্নতার দায়িত্বে অধ্যক্ষ
ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় ২ জনের ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন

ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় ২ জনের ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন

Sharing is caring!

ঝালকাঠিতে আনোয়ারা বেগম হত্যা মামলায় দুইজনের ফাঁসি ও তিনজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ. মো. তোফায়েল হাসান এ রায় দেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সদর উপজেলার শেখেরহাট ইউনিয়নের রাজপাশা গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে খায়রুল আলম ওরফে শেখ হাসান ও একই গ্রামের মৃত জালাল সরদারের ছেলে পিল্টন ওরফে পিন্টু। এছাড়া একই গ্রামের আবুল হোসেনের দুই ছেলে রিপন মিয়া ও সালাম মিয়া এবং আব্দুস সোবাহানের ছেলে সাহাদাৎ হোসেনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০২ সালের ১৭ মে রাতে ঝালকাঠি সদর উপজেলার শেখেরহাট ইউনিয়নের রাজপাশা গ্রামের আনোয়ারা বেগমের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতির সময় আনোয়ারা বেগম আলো জ্বালিয়ে দেন এবং ডাকাতদের (আসামি) দেখেই চিনে ফেলেন। এসময় ডাকাত সদস্যরা মা আনোয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে।

এ ঘটনার পরদিন সদর থানায় একটি মামলা হলেও পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ২০০৩ সালের ১০ অক্টোবর একই এলাকার সাতজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

২০০৪ সালের ২১ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় সিআইডি। দীর্ঘ শুনানি ও ১৫ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের পর এ রায় ঘোষণা করেন আদালত।

রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর দুই আসামি গিয়াস ও মামুনকে খালাস দেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম আলম খান কামাল এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আব্দুর রশিদ শিকদার।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD