শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০১:৫২ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
আমীর খসরু: বলেছেন, আমি অনির্বাচিত সরকারের ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে চাই না আহবায়ক সজল, সদস্য সচিব কালা।।কলাপাড়ায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের কমিটি গঠন কুয়াকাটায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা কলাপাড়ায় ৫ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার দুই চোখ তুলে নেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত অপর দুই ভাইয়ের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ জলবায়ু সুশাসন শক্তিশালী করণে তৃণমূলের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার গলাচিপায় বিএনপির নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ নজরুল মাতুব্বরের বিরুদ্ধে কলাপাড়ায় পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্তদের আট দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিক-শ্রমিকদের ধর্মঘট আমরা আগামী ৫০ দিন সময় বেঁধে দিলাম শাসক নয় সেবক হিসেবে আপনাদের পাশে থাকতে চাই ।। মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ কলাপাড়ায় টাইফয়েড ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত কুয়াকাটা সৈকতে অজ্ঞাত ব্যক্তির ম/র/দেহ উদ্ধার বরিশাল নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলনে কলাপাড়া পৌর ওলামা দলের কর্মী সভা
আহত শিশুকে চড় দিলেন নার্স

আহত শিশুকে চড় দিলেন নার্স

Sharing is caring!

অনলাইন ডেক্স: বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স সুমনের বিরুদ্ধে আহত এক শিশুকে চড় দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহতর স্বজনরা শনিবার (৮ অক্টোবর) থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান। তিনি জানান, টিনে লেগে হাত কেটে যাওয়া শিশুটির ক্ষতস্থান সেলাই করছিলেন নার্স সুমন। এ সময় ব্যথায় কেঁদে ওঠে লামিয়া নামে শিশুটিকে চড় দেন তিনি। শিশুটিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে সুমনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযোগে জিডি হয়েছে। আমরা অভিযোগ তদন্ত করে দেখছি।

লামিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম ভূতেরদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। সে এতিম, তাই মামা-মামির সঙ্গে থাকে। তার মামি সাবেরা খাতুন বলেন, শুক্রবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে টিনে লেগে লামিয়ার হাত কেটে যায়। চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে অপারেশন থিয়েটার রুমে দ্বায়িত্বরত নার্স সুমন কোনো অ্যানেসথেসিয়া না দিয়ে ক্ষতস্থান সেলাই করতে শুরু করেন। এ সময় ব্যথায় লামিয়া কান্না করে। বিরক্ত হয়ে তাকে মারধর করে সুমন। লামিয়ার গালে মারধরের চিহ্ন স্পষ্ট।

লামিয়ার নানী আলমতাজ বেগম বলেন, নার্স সুমনের চড়-থাপ্পড়ে আমার নাতিন লামিয়া আরও অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

এ ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুভাষ সরকার ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যদের কমিটি গঠন করেন। তিনি বলেন, লিখিত বা মৌখিক কোন অভিযোগ এখনও পাইনি। তবে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে অভিযোগটি পেয়েছি। তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওই নার্সের বিরুদ্ধে সরকারি বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নার্স সুমনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ইচ্ছে করে মেয়েটিকে চড়-থাপ্পড় দিইনি। আসলে তাকে শান্ত করতে চাচ্ছিলাম। ওর হাত বেশি কেটে যাওয়ায় রক্ত ঝরছিল। দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা না গেলে আরও অসুস্থ হয়ে যেত।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD