শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত আবারো মৃত ডলফিন পটুয়াখালীতে ইফতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন ও  স্মারকলিপি প্রদান জনগণ চাইলে নির্বাচনে অংশ নেব — সাংবাদিক হাফিজুল ইসলাম শান্ত উজিরপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পিং-এর শুভ উদ্বোধন বরিশালে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে কুইজ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো ৮ ফুট লম্বা মৃত ইরাবতী ডলফিন বরিশাল কালেক্টরেট স্কুলের এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা কলাপাড়ায় স্যাডো ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাঁড়ালেন সদর আসনের এম পি সরোয়ার বরিশালে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও নারী শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে উঠান বৈঠক বরিশালে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ভাতার দাবিতে মানববন্ধন পটুয়াখালী সদর উপজেলা শিক্ষক কর্মচারী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি আবু জাফর সাধারণ সম্পাদক বিদ্যুৎ পাল বাউফলে নার্সিং ইনস্টিটিউটে শিক্ষক সংকট,পরিচ্ছন্নতার দায়িত্বে অধ্যক্ষ বাউফ‌লে স্কোপলামিন (‘শয়তানের নিশ্বাস’) চক্রের মূল হোতাসহ গ্রেপ্তার ৪ পটুয়াখালী সরকারি নার্সিং ইনস্টিটিউটে ভর্তি ফিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে মাহামুূদা সুলতানার বিরুদ্ধে
৩৬ ঘণ্টায়ও উদ্ধার হয়নি লাশের বাকি অংশ, থানায় মামলা

৩৬ ঘণ্টায়ও উদ্ধার হয়নি লাশের বাকি অংশ, থানায় মামলা

Sharing is caring!

মাগুরায় এক যুবকের মাথাবিহীন খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের ৩৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও লাশের বাকি অংশের খোঁজ পায়নি পুলিশ। গতকাল রোববার সকালে মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের কালুকান্দি গ্রামের একটি রাস্তার পাশে ও মজাপুকুর থেকে দুটি বস্তায় মোড়ানো অবস্থায় দেহের খণ্ডিত দুটো অংশ উদ্ধার করা হয়। তবে এখনো মাথা ও একটি পায়ের খোঁজ মেলেনি। পুলিশের ধারণা, অন্য কোনো জায়গায় হত্যা করে লাশটি সেখানে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

মাথা খুঁজে না পেলেও মরদেহটি মো. আজিজুর রহমান (৩০) নামের এক যুবকের বলে দাবি করেছেন তাঁর স্বজনেরা। নিহত যুবকের বাড়ি মাগুরা সদর উপজেলার সংকোচখালী গ্রামে। তবে তিনি মহম্মদপুর উপজেলার বানিয়াবহু গ্রামে নানা আবুল কাশেমের বাড়িতে থেকে বড় হয়েছেন। ওই যুবক মাগুরা সদর উপজেলার ইছাখাদা গ্রামে বিয়ে করেন। সবশেষ ওই গ্রামেই একটি ভাড়া বাড়িতে পরিবার নিয়ে থাকছিলেন তিনি। পরনে থাকা পোশাক দেখে তাঁর মরদেহ শনাক্ত করেন পরিবারের সদস্যরা।

এখনো মাথা ও একটি পায়ের খোঁজ মেলেনি। পুলিশের ধারণা, অন্য কোনো জায়গায় হত্যা করে লাশটি সেখানে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে মহম্মদপুর থানায় হত্যা ও লাশ গুমের একটি মামলা করেছেন। রোববার মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে বানিয়াবহু নানার বাড়িতে ওই যুবকের লাশ দাফন করা হয়েছে।

নিহতের ভাই মো. হাবিবুর রহমান জানান, তাঁর ভাই মাগুরায় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। শনিবার সকালে কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশে বের হওয়ায় পর থেকে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ ছিল। মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারক বিশ্বাস সোমবার রাত আটটার দিকে  বলেন, ওই ঘটনায় হত্যা মামলা করেছেন নিহতের ভাই। তবে লাশের বাকি অংশের সন্ধান এখনো মেলেনি। পুলিশ এই হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটনে তৎপর রয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD