শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কলাপাড়ায় গভীর রাতে বসতঘর থেকে গৃহবধূ নিখোজ, জনমনে নানা প্রশ্ন হত্যা না গুম ঈদের তৃতীয় দিনে পর্যটকে কনায় কানায় পরিপূর্ন কুয়াকাটা সৈকত সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ,সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির কলাপাড়ায় কুইজ প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণদের সন্মাননা ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বরিশাল মহানগর বিএনপির ঈদ উপহার বিতরণ পর্যটক আকর্ষনে ঈদকে ঘিরে কুয়াকাটায় চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি কলাপাড়ায় ঈদের চাঁদ উৎসব কলাপাড়ায় ১১ গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ উদযাপন করছে আগাম ঈদ পটুয়াখালীতে আজ ৩৫টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন পালিত হচ্ছে কলাপাড়ায় ৩৪টি এসএসসি ব্যাচের ‘হাইস্কুলিয়ান ইফতার ২০২৫’ অনুষ্ঠিত কলাপাড়া পৌর নির্বাচন।।মেয়র পদে নির্বাচন করতে তৎপর নান্নু মুন্সী কলাপাড়ায় জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে বেগম জিয়ার রোগমুক্তির জন্য ইফতার কলাপাড়া সাংবাদিক ক্লাবের ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠান কুয়াকাটায় ১০ দোকানে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন বিএনপি সভাপতির দুই ছেলে
মুড়ি নয়তো একবেলা খেয়ে দিন কাটছে এতিমদের

মুড়ি নয়তো একবেলা খেয়ে দিন কাটছে এতিমদের

Sharing is caring!

ক্রইমসিন২৪ :আর্থিক সংকটে একবেলা খাবার খেয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে বরিশাল নগরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পলাশপুর গুচ্ছগ্রামের রহমানিয়া কিরাতুল কুরআন হাফেজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার শিশুদের। গত একসপ্তাহ ধরে এ সমস্যা চলছে বলে জানিয়েছেন মাদ্রাসার পরিচালক নুরুল ইসলাম ফিরোজী। তিনি জানান, কখনো কখনো খাবারের মধ্যে শুধু মুড়ি খেয়েও দিন পাড় করতে হচ্ছে এতিমখানার শিশুদের। জানাগেছে, ২০১৪ সালে তার উদ্যোগে পলাশপুর গুচ্ছ গ্রামে এতিমখানা ও মাদ্রাসাটি চালু করা হয়। সেসময় থেকেই একটি ভাড়া বাসার কয়েকটি কক্ষে পরিচালিত হতো। পরে বছরখানেক আগে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ জেলা পরিষদের মাধ্যমে ১৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন। যে অনুদান দিয়ে জমি ক্রয় ও চার তলা ভিত্তির ওপর ১ তলা ভবন নির্মান করা হয়েছে।  যদিও অর্থ সংকটে সে কাজের কিছু অংশ এখনো বাকি রয়েছে। মাদ্রাসা সূত্রে জানাগেছে, শুরুর দিকে ছাত্র সংখ্যা কম থাকলেও বর্তমানে এখানে শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। যারমধ্যে আবাসিকে অর্ধশত শিক্ষার্থী এবং ২০ জন এতিম শিশু শিক্ষার্থী রয়েছে। নুরুল ইসলাম ফিরোজী জানান, টাকার অভাবে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে গেছে আগেই। তাছাড়া মাদ্রাসায় পানি ও বিদ্যুতের সংকটও রয়েছে আগে থেকেই। আর এখন টাকার অভাবে আবাসিক ও এতিম ছাত্রদের খাবার সরবরাহ যথানিয়মে করা সম্ভব হচ্ছে না।  ছোট ছোট শিশুদের ভাতের বদলে মুড়িও খাওয়াতে হয়েছে।  সরকারি সহায়তা কিংবা সামাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা প্রয়োজন জানিয়ে মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ছোট ছোট এসব শিশুদের পেটে ক্ষুধা থাকলে পড়াশুনায় মন বসে না। গত কয়েকদিন ধরে কেউ সাহায্য করলে খানা হচ্ছে, না হলে না। সামাজের বিত্তবানদের বিষয়টি দেখা উচিত। নয়তো এতিম শিশুদের পড়াশুনা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD