শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
রোজা ও ঈদে টানা কত দিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা? জনগণের মনে শান্তি-নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীর চেয়ারে কারাগারে তারুণ্য বিলানো রাজিব বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক থেকে তথ্যমন্ত্রী, জাতিসংঘে কাজের অভিজ্ঞতাও আছে স্বপনের ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দের সাথে কলাপাড়া পৌর বিএনপির মতবিনিময় তাঁতীদলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বরিশালে দোয়া অনুষ্ঠান বিয়ে করতে এসে তেতুলিয়া নদীতে নিখোঁজ যুবক ২৩ ঘণ্টা পেরিয়েও মেলেনি হাসানের খোঁজ বাউফলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় শাপলা কাব ও প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পরীক্ষা-২০২৬ অনুষ্ঠিত অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন বিএনপি এবিএম মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রী চেয়ে জোরালো দাবি উপকূলবাসীর ভোটে জিতে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মিলাদ বিশ্ব ভালোবাসা দিবসেও পর্যটক শূন্য কুয়াকাটা বাউফলে নির্বাচন পরবর্তী সৌহার্দপূর্ণ আচারন এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পটুয়াখালী জেলার তিন এমপির তালিকায় কে কে হবেন মন্ত্রী পরিষদের সদস্য
সরকারী খাস জমিতে মাছ শুকাতে টাকা আদায়ের অভিযোগ

সরকারী খাস জমিতে মাছ শুকাতে টাকা আদায়ের অভিযোগ

Sharing is caring!

পটুয়াখালী প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সরকারি খাস জমিতে রোদে মাছ শুকাতে দেয়ায় দরিদ্র জেলেদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।উপজেলার নিজামপুরের বাসিন্দা হান্নান হাওলাদারসহ তার সাঙ্গপাঙ্গদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র জানায়, আন্ধারমানিক নদীর তীর ঘেঁষে মহিপুর ইউনিয়নের নিজামপুরসহ কয়েকটি গ্রামের জেলেরা শীত মৌসুমে মশারী নেটের উপর এক ধরনের গুড়া চিংড়ি রোদে শুকিয়ে শুঁটকি করে আসছে। এজন্য নদীর তীরে চর ভূমিসহ কৃষি জমি ব্যবহার করে জেলেরা। ব্যক্তিমালিকানা জমির মালিকদের ভাড়া দিতে হয়। দুই বিঘা জমির জন্য অবস্থান ভেদে এক মৌসুমে ৪০ থেকে ৮০ হাজার টাকায় ভাড়া নেয় জেলেরা। কিন্তু চরের খাস জমি ব্যবহার করতে স্থানীয় হান্নান হাওলাদার গংদের টাকা দিতে হয়, এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

স্থানীয় ছগির খান জানান, সরকারী এ খাস জমিতে জেলেরা রোদে মাছ শুকাতে দিলে
টাকা দিতে হয় হান্নান হাওলাদারকে। নতুবা হেনস্থা হতে হয় তার হাতে।
অভিযুক্ত হান্নান হাওলাদার জানান, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। ওই জমি তার জমির মুখশা,খাস জমি। তিনি নিজে শুটকি করতে ব্যবহার করছেন। সগির খান আরেক ইউনিয়ন থেকে এসে সেচ্ছাসেবক লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে ওই জমি দখল করতে গিয়েছিলেন, ব্যর্থ হয়ে এখন অন্যের নামে বদনাম রটাচ্ছেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD