সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কলাপাড়ায় আগাম ঈদ উদযাপন করছে  ৮ গ্রামের ১০ হাজার মানুষ কলাপাড়ায় অদম্য-৯৭ ব্যাচের ইফতার অনুষ্ঠিত কুয়াকাটায় মানববন্ধনের জেরে শ্রমিক দল নেতাকে হত্যাচেষ্টা, পটুয়াখালীর কালাইয়াতে বিপুল পরিমাণ মাদক ও বার্মার সুল্কফাকি দেওয়া চোরাই সুপারি জব্দ ঢাকা দোহা থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার পলাতক আসামী রিয়াজুল র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার মেহেন্দিগঞ্জে ঈদ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে অর্থ বিতরন বিতরণ পটুয়াখালীর গলাচিপায় চাঁদার দাবিতে খেয়াঘাটে হামলা-ভাঙচুর, অর্থ লুটপাট আসন্ন পবিত্র ঈদঁউল ফিতর উপলক্ষে নিত্য প্রয়োনিয় পন্যর দাম স্থিতিশীল ও পরিবহন খাত নিয়ন্ত্রণ রাখতে র‌্যাব ৮ এর অভিযান বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ৫ম প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরিনকে ছাত্রদলের ফুলেল শুভেচ্ছা ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে বরিশাল বেসরকারি সার্ভেয়ার এসোসিয়েশন অনৈতিক ভিডিও ভাইরলের ঘটনায় খেপুপাড়া  বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত কলাপাড়ায় ১৪ হাজার টাকার জাল নোটসহ যুবক গ্রেফতার লৌহ শ্রমিকদল বরিশাল মহানগর ৪ নং পলাশপুর শাখার ইফতার অনুষ্ঠিত ছাত্রদল বিএম কলেজ শাখার ইফতার মাহফিল দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
আমি কারও জমির ধান কাটি নাই, আমার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ মিথ্যা… হাফেজ আবদুল বারেক

আমি কারও জমির ধান কাটি নাই, আমার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ মিথ্যা… হাফেজ আবদুল বারেক

Sharing is caring!

কলাপাড়া প্রতিনিধিঃ

আমার ভাতিজা সোলায়মান হাওলাদার ও বিপ্লব হাওলাদারের চাষ করা জমির ধান জোড় করে লোকজন নিয়ে আমি কাটি নাই।

সাজেদা বেগম নামে এক নারী কর্তৃক মহিপুর থানায় দেয়া অভিযোগের সূত্র ধরে আমার বিরুদ্ধে অসত্য খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

যার কোনো সত্যতা নাই। আমাকে অভিযুক্ত করে যা করা হয়েছে, তা ইচ্ছাকৃতভাবে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য করা হয়েছে।

আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। মহিপুর থানার ইউসুফপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির জেষ্ঠ্য সহসভাপতি হাফেজ আবদুল বারেক হাওলাদার এক সংবাদ সম্মেলন করে তাঁর বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ প্রত্যাখান করেন।

শনিবার বিকেল চারটায় মহিপুর থানার ইউসুফপুর গ্রামে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত বক্তব্যে আবদুল বারেক হাওলাদার আরও বলেন, আমার চাষ করা জমির ধান কেটেছি।

তা ছাড়া যে জমির ধান আমি কেটে নিয়েছি, সে জমি নিয়ে গত ৫ বছরে কমপক্ষে দশ দফা মাপজোক করা হয়েছে।

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ যেভাবে জমি মেপে আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছে, সে মাপ অনুযায়ী আমি সব সময় জমি চাষ করি।

আমার প্রতিপক্ষের লোকজন ধান কাটার মৌসুম আসলেই এ নিয়ে একটা ঝামেলা তৈরি করে। শুধু আমাকে হয়রানী করে।

তিনি আরও বলেন, আবদুস ছাত্তার ও আয়শা বেগমের কাছে থেকে আমি সাড়ে ১৬ শতাংশ জমি ক্রয় করেছি।

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ আমাকে জমি মেপে বুঝিয়ে দেয়ার পর, সেভাবেই আমি জমি ভোগ দখল করছি। আমি কেবল আমার নিজের জমির ধানই কেটেছি ।

মোয়াজ্জেম হোসেন

কলাপাড়া

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD