সর্বশেষ:
কলাপাড়ায় অটোচালক অপহরণ করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার- ৩ যেভাবে দুবাই থেকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হবে বেনজীর আহমেদকে বরিশালে ১৪ নং ওয়ার্ড বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যাগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ‎বরিশালে এমইপিএর আয়োজনে ইলেকট্রিশিয়ানদের নিয়ে  মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বরিশালকে পরিবেশবান্ধব নগরী গড়তে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান, অনুষ্ঠিত ‘নাগরিক ভাবনা’ সভা শ্রেষ্ঠ ইমাম নির্বাচন ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত নারীর টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়নে ব্র্যাকের উদ্যোগে হাঁস পালন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীতে নৌকা থেকে শিশুকে নামানোকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ১০, কুডার কুড়ে আগুন, গরু হত্যার অভিযোগ বাউফলে বাক্ প্রতিবন্ধী অন্ধ কিশোরীকে ধর্ষণ,ধর্ষক গ্রেফতার

পাকিস্তানে দর্জির মেয়ের ইতিহাস, এমবিবিএস-এ ১৭টি স্বর্ণপদক জয়

Reporter Name / ৪৮ Time View
Update : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

ক্রাইমসিন ডেক্সঃ

খাইবার গার্লস মেডিকেল কলেজের (কেজিএমসি) ইতিহাসে এক অনন্য রেকর্ড গড়েছেন পাকিস্তানের হরিপুরের অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী কান্দিল মুর্তজা। ২০২৬ সালের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এমবিবিএস কোর্সে অসাধারণ ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ রেকর্ডসংখ্যক ১৭টি স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন।

পেশোয়ারে আয়োজিত এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কান্দিলের হাতে পদকগুলো তুলে দেন সোহাইল আফ্রিদি। এ সময় মঞ্চে কান্দিলের পাশে উপস্থিত ছিলেন তার গর্বিত বাবা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একজন দর্জি হয়েও শত কষ্টের মাঝে সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার সাফল্যের এক আবেগঘন মুহূর্ত। কলেজের ইতিহাসে এর আগে আর কোনো শিক্ষার্থীর এত বেশি স্বর্ণপদক অর্জনের নজির নেই।

অনুষ্ঠানে কান্দিল ছাড়াও আরও বেশ কজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে তাদের কৃতিত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। তাদের মধ্যে মুকাদ্দাস ১০টি স্বর্ণপদক এবং সাবীহ ৭টি স্বর্ণপদক অর্জন করেন।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে কান্দিলের বাবা তার পরিবারের শিক্ষাগত অর্জনের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে জানান যে, তার অন্য সন্তানরাও নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

কান্দিলের এক বোন বর্তমানে খাইবার মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করছেন। অন্য এক বোন ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সিতে (এফআইএ) গ্রেড-১৭ অফিসার হিসেবে কর্মরত। আরেক মেয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করে বর্তমানে ইসলামাবাদে কর্মরত আছেন।

তাদের একমাত্র ছেলেও একজন প্রকৌশলী।

কান্দিলের এই অসামান্য সাফল্য অনলাইন দুনিয়ায় ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে তার এই বিজয় এবং একটি সাধারণ পরিবারের উচ্চশিক্ষার প্রতি যে একাগ্রতা, তা এখন দেশটির লাখো শিক্ষার্থীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category