সর্বশেষ:
বরিশালে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের মহানগর ও জেলা দক্ষিণের আহ্বায়ক কমিটি গঠন বনের গাছ কেটে ঝাড়, ট্রলার চলাচল ব্যাহত; ঝাড় অপসারণের কথা বলায় হামলা, আহত ১ কলাপাড়ায় ৪ বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে এক ব্যক্তি গ্রেফতার বরিশালে সৎ ভাইয়ের ছেলেকে অপহরণের চেষ্টা ও চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন বাউফলের হাফেজ জাকারিয়া বাউফলে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল বাউফলে রাস্তার ওপর পড়ে থাকা বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে এক কৃষকের মৃ/ত্যু পটুয়াখালীতে “হ্যাটট্রিক” পদক পেলেন সদর থানার এএসআই মোজাম্মেল ইসলাম রিপন পটুয়াখালীর জৈনকাঠীতে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ, কাশীপুরের সাক্ষী হতবাক এলাকাবাসী সাংবাদিক মিঠু’র পিতা মরহুম সুজা উদ্দিন বিশ্বাস’র ১১ তম প্রয়ান দিবসে দোয়া মোনাজাত

পাকিস্তানে দর্জির মেয়ের ইতিহাস, এমবিবিএস-এ ১৭টি স্বর্ণপদক জয়

Reporter Name / ১০১ Time View
Update : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

ক্রাইমসিন ডেক্সঃ

খাইবার গার্লস মেডিকেল কলেজের (কেজিএমসি) ইতিহাসে এক অনন্য রেকর্ড গড়েছেন পাকিস্তানের হরিপুরের অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী কান্দিল মুর্তজা। ২০২৬ সালের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এমবিবিএস কোর্সে অসাধারণ ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ রেকর্ডসংখ্যক ১৭টি স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন।

পেশোয়ারে আয়োজিত এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কান্দিলের হাতে পদকগুলো তুলে দেন সোহাইল আফ্রিদি। এ সময় মঞ্চে কান্দিলের পাশে উপস্থিত ছিলেন তার গর্বিত বাবা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একজন দর্জি হয়েও শত কষ্টের মাঝে সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার সাফল্যের এক আবেগঘন মুহূর্ত। কলেজের ইতিহাসে এর আগে আর কোনো শিক্ষার্থীর এত বেশি স্বর্ণপদক অর্জনের নজির নেই।

অনুষ্ঠানে কান্দিল ছাড়াও আরও বেশ কজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে তাদের কৃতিত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। তাদের মধ্যে মুকাদ্দাস ১০টি স্বর্ণপদক এবং সাবীহ ৭টি স্বর্ণপদক অর্জন করেন।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে কান্দিলের বাবা তার পরিবারের শিক্ষাগত অর্জনের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে জানান যে, তার অন্য সন্তানরাও নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

কান্দিলের এক বোন বর্তমানে খাইবার মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করছেন। অন্য এক বোন ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সিতে (এফআইএ) গ্রেড-১৭ অফিসার হিসেবে কর্মরত। আরেক মেয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করে বর্তমানে ইসলামাবাদে কর্মরত আছেন।

তাদের একমাত্র ছেলেও একজন প্রকৌশলী।

কান্দিলের এই অসামান্য সাফল্য অনলাইন দুনিয়ায় ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে তার এই বিজয় এবং একটি সাধারণ পরিবারের উচ্চশিক্ষার প্রতি যে একাগ্রতা, তা এখন দেশটির লাখো শিক্ষার্থীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category