সর্বশেষ:
প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি,১জন গুলিবিদ্ধসহ আহত-৩, ২৫ ভরি স্বর্নালংকার লুট কলাপাড়ায় পুজা উদযাপন পরিষদ আহবায়কের পদত্যাগ।। হিন্দু সম্প্রদায়ে আতংক বাউফলে গভীর রাতে গৃহবধূর ঘরে জামায়াত নেতা, আপত্তিকর অবস্থায় আটক বরিশাল জেলা জজ আদালত চত্বরে ‘রহস্যজনক’ বিস্ফোরণে জনমনে আতঙ্ক আমানতগঞ্জ বক্ষব্যাধি হাসপাতালের পেছনে জমির মালিকানা নিয়ে ‘বিভ্রান্তিকর তথ্য’ প্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনে পর্যটক হয়রানি বন্ধ ও সেবার মানোন্নয়নে কুয়াকাটায় চালকদের সঙ্গে মতবিনিময় কলাপাড়ায় শিক্ষার্থীরা পেল স্কুল ব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ কুয়াকাটা সৈকতের ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করলেন…….. এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি কলাপাড়ার অনার্স শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথে একটি বাস্তব সংকট পরীক্ষা কেন্দ্র আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে কুয়াকাটায় র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

পাকিস্তানে দর্জির মেয়ের ইতিহাস, এমবিবিএস-এ ১৭টি স্বর্ণপদক জয়

Reporter Name / ৯৫ Time View
Update : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

ক্রাইমসিন ডেক্সঃ

খাইবার গার্লস মেডিকেল কলেজের (কেজিএমসি) ইতিহাসে এক অনন্য রেকর্ড গড়েছেন পাকিস্তানের হরিপুরের অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী কান্দিল মুর্তজা। ২০২৬ সালের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এমবিবিএস কোর্সে অসাধারণ ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ রেকর্ডসংখ্যক ১৭টি স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন।

পেশোয়ারে আয়োজিত এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কান্দিলের হাতে পদকগুলো তুলে দেন সোহাইল আফ্রিদি। এ সময় মঞ্চে কান্দিলের পাশে উপস্থিত ছিলেন তার গর্বিত বাবা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একজন দর্জি হয়েও শত কষ্টের মাঝে সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার সাফল্যের এক আবেগঘন মুহূর্ত। কলেজের ইতিহাসে এর আগে আর কোনো শিক্ষার্থীর এত বেশি স্বর্ণপদক অর্জনের নজির নেই।

অনুষ্ঠানে কান্দিল ছাড়াও আরও বেশ কজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে তাদের কৃতিত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। তাদের মধ্যে মুকাদ্দাস ১০টি স্বর্ণপদক এবং সাবীহ ৭টি স্বর্ণপদক অর্জন করেন।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে কান্দিলের বাবা তার পরিবারের শিক্ষাগত অর্জনের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে জানান যে, তার অন্য সন্তানরাও নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

কান্দিলের এক বোন বর্তমানে খাইবার মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করছেন। অন্য এক বোন ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সিতে (এফআইএ) গ্রেড-১৭ অফিসার হিসেবে কর্মরত। আরেক মেয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করে বর্তমানে ইসলামাবাদে কর্মরত আছেন।

তাদের একমাত্র ছেলেও একজন প্রকৌশলী।

কান্দিলের এই অসামান্য সাফল্য অনলাইন দুনিয়ায় ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে তার এই বিজয় এবং একটি সাধারণ পরিবারের উচ্চশিক্ষার প্রতি যে একাগ্রতা, তা এখন দেশটির লাখো শিক্ষার্থীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category