সর্বশেষ:
পটুয়াখালীতে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ চেষ্টার মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন বাউফলে দুর্গাপূজার ৬৫পূজামণ্ডপে , নিরাপত্তায় থাকছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নাগরিক সেবায় অবহেলা, বরিশালে দুই কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জুলাই যোদ্ধা শহীদ বাচ্চু হাওলাদার এর স্ত্রীর মৃ/ত্যু শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে শ্রমিক দলের নেতৃবৃন্দ শহীদ ওসমান হাদী হত্যার বিচারের দাবিতে, পটুয়াখালীতে “মার্চ ফর হাদী” কর্মসূচি ইলিশের উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়াতে মা ইলিশ সংরক্ষণ জরুরি: মৎস্যসচিব ইলিশের উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়াতে মা ইলিশ সংরক্ষণ জিয়া মঞ্চ বরিশাল বিভাগীয় প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এবং কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের পদ স্থগিত মির্জাগঞ্জে আন্দুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব-নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা ও ব্যাগ বিতরন

বরিশালে আত্মসাতের পাওনা টাকা চাওয়ায় প্রতিষ্ঠান মালিকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

Reporter Name / ২৯ Time View
Update : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বরিশালে ‘বি বাড়িয়া’ নামের একটি বেকারির প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনা ধামাচাপা দিতে মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনার প্রতিকার ও প্রকৃত সত্য তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি মো. হাফিজুল ইসলাম। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত বক্তব্যে জানান, নগরীর কাউনিয়া মীরা বাড়ি এলাকার বিসিক ১ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে পাঁচ ভাই মিলে সুনামের সাথে ‘বি বাড়িয়া’ বেকারি পরিচালনা করে আসছেন। প্রতিষ্ঠানটি মেজো ভাই মো. ইয়ার খানের নামে নিবন্ধিত এবং বর্তমানে সেখানে প্রায় ২০ জন শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের সেলসম্যান মো. হাসান কাজী (৩০) বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করা পণ্যের মোট ৩ লাখ ৪৯ হাজার টাকা বকেয়া রেখে আত্মসাৎ করেন।

ওই পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তিনি টালবাহানা শুরু করেন এবং একপর্যায়ে মালিক পক্ষের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাতে শুরু করেন।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে আরও জানানো হয়, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার জন্য দুটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গত ৯ জুলাই নগরীর ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ সাইদুল হাসান মামুনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রথম সালিশে হাসান কাজী নিজের দোষ স্বীকার করেন।

তিনি জানান, পাওনা টাকা পরিশোধ না করতেই তিনি মালিকের বিরুদ্ধে স্ত্রী সংক্রান্ত মিথ্যা অপবাদ ছড়িয়েছিলেন। পরবর্তীতে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় আরেকটি বৈঠকে হাসান দুই মাসের মধ্যে বকেয়া টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্ধারিত সময়সীমা (১৫ সেপ্টেম্বর) পার হওয়ার পরও তা দেননি।

টাকা না দিয়ে উল্টো গত ১৯ সেপ্টেম্বর একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে ভিত্তিহীন সাক্ষাৎকার দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাদকাসক্তি এবং অনলাইনে জুয়া খেলার কারণে আত্মসাৎকৃত পুরো টাকা হাসান নষ্ট করে ফেলেছেন।

কষ্টার্জিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করা এবং মিথ্যা অপপ্রচারের মাধ্যমে চরিত্রহননের নিন্দা জানিয়ে এ ঘটনার সুষ্টু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
জানতে চাইলে মো. হাসান কাজীর মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category