সর্বশেষ:
কুয়াকাটায় ইস্তাম্বুল প্রকল্পের কাজ বন্ধ করেছে কুয়াকাটা পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসন কলাপাড়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস, সিজন-২ এর প্রস্তুতি মূলক সভা বৌদ্ধবিহার গুলোতে উদযাপিত হচ্ছে প্রবারনা পূর্ণিমা কলাপাড়ায় গভীর রাতে মাছের ঘের থেকে বৃদ্ধের লা/শ উদ্ধার কুয়াকাটা সৈকত পরিষ্কার পরিছন্নতা কার্যক্রমে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল কলাপাড়ায় ১ ঘন্টার ব্যাবধানে একই বাড়িতে ২ ব্যক্তির মৃ/ত্যু পটুয়াখালী বাউফলের খাল থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির অ/র্ধ/গ/লি/ত ম/র/দে/হ উদ্ধার পটুয়াখালী সদর উপজেলায় দিনমজুর পরিবারের পৈতৃক জমি দখলের অভিযোগ ​ বিয়ের প্রলোভন ও অশ্লীল ভিডিওর ভয় দেখিয়ে নারী নির্যাতন বিচ কার্নিভাল ও দুর্গাপূজাকে ঘিরে কুয়াকাটায়  লাখো পর্যটকের সম্ভাবনা, ৮০ শতাংশ হোটেল কক্ষ বুকিং

কলাপাড়ায় বেড়িবাঁধসহ ধবসে পড়ল স্লুইস ,পানিবন্দি সাত গ্রামের মানুষ

Reporter Name / ৩৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আন্দারমানিক নদীর পানির প্রবল স্রেতে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউপির সদরপুর স্লুইস সংলগ্ন বেড়িবাঁধ ভেঙে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

স্লুইসটি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় প্রায় সাতশ একর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। সষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে সাত গ্রামের প্রায় চার হাজার পরিবার।
সরেজমিনে জানা গেছে, এই এলাকায় বন্ধ হয়ে গেছে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ।

এতে বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। হাজীপুর এলাকায় সোনাতলা ও আন্ধারমানিক নদীর সংযোগস্থল এবং সাগর মোহনা ঘেঁষা জনপদের মানুষকে জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষায় হাজীপুর সেতু থেকে জালালপুর পর্যন্ত নির্মাণ করা হয় বেড়িবাঁধ।

ওই বেড়িবাঁধের অভ্যন্তরের পানি নিষ্কাশনের জন্য নির্মাণ করা হয় সদরপুর তিন ভেন্টের স্লুইস । দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এবার পানির তীব্র চাপে স্লুইসটি বেরিবাঁধসহ ভেঙে পড়ে। স্থানীয়রা জানান,স্লুইসটি ভেঙে যাওয়ার পর পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে।

ফলে সোনাতলা নদীর জোয়ারের পানি ঢুকে আশপাশের সাতটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বসতঘর, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি ও মাছের ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেকের পুকুর ও ঘেরের মাছ ভেসে গেছে। পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে পরিবারগুলো।

অভিযোগ, গত বছর থেকেই স্লুইসে ভাঙনের লক্ষণ দেখা দিয়েছিল। তখন প্রয়োজনীয় মেরামত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সষ্টি হতো না। কয়েকদিন ধরে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি থাকলেও স্লুইস  দিয়ে পানি নামানোর কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।

স্থানীয় সোনাতলা গ্রামের রহিম উদ্দিন বলেন, স্লুইসটি ভেঙে যাওয়ার কারণে পানি নামতে পারছে না। ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে, ছেলে-মেয়েদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে। সদরপুর গ্রামের বাসিন্দা পাভেল বলেন, গত বছর থেকেই স্লুইসটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল।

তখন সংস্কার করলে আজ আমাদের এমন সমস্যায় পড়তে হতো না।
এবিষয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের অফিস সূত্রে  জানা গেছে, উপজেলার অনেক স্লুইস ও জলকপাট দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সদরপুর স্লুইস সহ উপজেলার ১২৯টি স্লুইস  নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য প্রস্তবনা পাঠানো হয়েছে।

কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: শাহ আলম বলেন, ভেঙে যাওয়া স্লুইস  ও জলকপাটগুলো পুননির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। মোয়াজ্জেম হোসেন কলাপাড়া


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category