সর্বশেষ:
বরিশালে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের মহানগর ও জেলা দক্ষিণের আহ্বায়ক কমিটি গঠন বনের গাছ কেটে ঝাড়, ট্রলার চলাচল ব্যাহত; ঝাড় অপসারণের কথা বলায় হামলা, আহত ১ কলাপাড়ায় ৪ বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে এক ব্যক্তি গ্রেফতার বরিশালে সৎ ভাইয়ের ছেলেকে অপহরণের চেষ্টা ও চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন বাউফলের হাফেজ জাকারিয়া বাউফলে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল বাউফলে রাস্তার ওপর পড়ে থাকা বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে এক কৃষকের মৃ/ত্যু পটুয়াখালীতে “হ্যাটট্রিক” পদক পেলেন সদর থানার এএসআই মোজাম্মেল ইসলাম রিপন পটুয়াখালীর জৈনকাঠীতে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ, কাশীপুরের সাক্ষী হতবাক এলাকাবাসী সাংবাদিক মিঠু’র পিতা মরহুম সুজা উদ্দিন বিশ্বাস’র ১১ তম প্রয়ান দিবসে দোয়া মোনাজাত

কলাপাড়ায় বেড়িবাঁধসহ ধবসে পড়ল স্লুইস ,পানিবন্দি সাত গ্রামের মানুষ

Reporter Name / ২৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আন্দারমানিক নদীর পানির প্রবল স্রেতে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউপির সদরপুর স্লুইস সংলগ্ন বেড়িবাঁধ ভেঙে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

স্লুইসটি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় প্রায় সাতশ একর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। সষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে সাত গ্রামের প্রায় চার হাজার পরিবার।
সরেজমিনে জানা গেছে, এই এলাকায় বন্ধ হয়ে গেছে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ।

এতে বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। হাজীপুর এলাকায় সোনাতলা ও আন্ধারমানিক নদীর সংযোগস্থল এবং সাগর মোহনা ঘেঁষা জনপদের মানুষকে জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষায় হাজীপুর সেতু থেকে জালালপুর পর্যন্ত নির্মাণ করা হয় বেড়িবাঁধ।

ওই বেড়িবাঁধের অভ্যন্তরের পানি নিষ্কাশনের জন্য নির্মাণ করা হয় সদরপুর তিন ভেন্টের স্লুইস । দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এবার পানির তীব্র চাপে স্লুইসটি বেরিবাঁধসহ ভেঙে পড়ে। স্থানীয়রা জানান,স্লুইসটি ভেঙে যাওয়ার পর পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে।

ফলে সোনাতলা নদীর জোয়ারের পানি ঢুকে আশপাশের সাতটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বসতঘর, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি ও মাছের ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেকের পুকুর ও ঘেরের মাছ ভেসে গেছে। পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে পরিবারগুলো।

অভিযোগ, গত বছর থেকেই স্লুইসে ভাঙনের লক্ষণ দেখা দিয়েছিল। তখন প্রয়োজনীয় মেরামত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সষ্টি হতো না। কয়েকদিন ধরে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি থাকলেও স্লুইস  দিয়ে পানি নামানোর কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।

স্থানীয় সোনাতলা গ্রামের রহিম উদ্দিন বলেন, স্লুইসটি ভেঙে যাওয়ার কারণে পানি নামতে পারছে না। ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে, ছেলে-মেয়েদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে। সদরপুর গ্রামের বাসিন্দা পাভেল বলেন, গত বছর থেকেই স্লুইসটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল।

তখন সংস্কার করলে আজ আমাদের এমন সমস্যায় পড়তে হতো না।
এবিষয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের অফিস সূত্রে  জানা গেছে, উপজেলার অনেক স্লুইস ও জলকপাট দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সদরপুর স্লুইস সহ উপজেলার ১২৯টি স্লুইস  নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য প্রস্তবনা পাঠানো হয়েছে।

কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: শাহ আলম বলেন, ভেঙে যাওয়া স্লুইস  ও জলকপাটগুলো পুননির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। মোয়াজ্জেম হোসেন কলাপাড়া


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category