সর্বশেষ:
সদর হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনে রিকশা চালককে আটকে নির্যাতন জনসেবার মানোন্নয়নে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত” বরিশাল গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মানিক লাল দাসকে বিদায়ী সংবর্ধনা পায়রা বন্দরের আবাসিক ভবন এলাকায় ফের ধসে পড়েছে দুটি সীমানা দেয়াল কলাপাড়ায় ঘর থেকে ডেকে নিয়ে বেধরক পিটিয়ে জখম অবৈধ ট্রলিং বন্ধের দাবিতে মৎস্য ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন কলাপাড়ায় বিরোধের জেরে বসত ঘর পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি পটুয়াখালীর ছোটবিঘাইতে জামায়াতকর্মীর হামলায় আহত দুই ভাই থানায় এজাহার-আসামি পুলিশ হেফাজতে কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার সৌন্দর্য বর্ধনের সকল ঐতিহ্য চহুতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪ সদস্যের এডহক কমিটি অনুমোদন

সদর হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনে রিকশা চালককে আটকে নির্যাতন

Reporter Name / ১১ Time View
Update : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬

মু,হেলাল আহম্মেদ(রিপন) পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি ঃ
পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে অটো রিকশাচালককে ভাড়া করে ভেতরে নিয়ে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে গলায় গামছা পেচিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় গতকাল রাতে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে পটুয়াখালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আহতের বাবা মো. জসিম হাওলাদার। থানায় দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৩ জুলাই সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের সামনে রিকশা চালানোর সময় শাহিন হাওলাদারকে ভাড়াকরে ভেতরে নিয়ে যান অভিযুক্তরা।

পরে বিকেল আনুমানিক ৩ টার দিকে তাকে সদর হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে আটকে রেখে ব্যপক মারধর করা হয়। এবং গলায় গামছা পেচিয়ে মেরে ফেলার ও চেষ্টা করা হয়।

অভিযোগে আরো বলা হয়, অভিযুক্তরা লাথী ও কিল-ঘুষি দিয়ে শাহিন হাওলাদারকে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করেন।

একপর্যায়ে তার কাছে থাকা নগদ ৩০ হাজার টাকা এবং একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। উক্ত ঘটনার সময় শাহিনের ডাক চিৎকার শুনেও আশপাশে কেউ এগিয়ে আসতে পারেননি বলে অভিযোগে স্পষ্ট করা হয়েছে। পরে স্থানীয় কিছু লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় শাহিনকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।

বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। লিখিত অভিযোগে মো. সোহেল, মো. শাকিল, মো. রাহাত, মো. তুহিন ও মো. কালাম হোসেন-সহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর নাম অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর বাবা মো. জসিম হাওলাদার অভিযোগে দাবী করেন, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরি, ছিনতাই,লুট চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছে।

পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ছেলেকে ডেকে নিয়ে এই হামলা ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার। এ বিষয়ে পটুয়াখালী থানার দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category