সর্বশেষ:
বৌদ্ধবিহার গুলোতে উদযাপিত হচ্ছে প্রবারনা পূর্ণিমা কলাপাড়ায় গভীর রাতে মাছের ঘের থেকে বৃদ্ধের লা/শ উদ্ধার কুয়াকাটা সৈকত পরিষ্কার পরিছন্নতা কার্যক্রমে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল কলাপাড়ায় ১ ঘন্টার ব্যাবধানে একই বাড়িতে ২ ব্যক্তির মৃ/ত্যু পটুয়াখালী বাউফলের খাল থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির অ/র্ধ/গ/লি/ত ম/র/দে/হ উদ্ধার পটুয়াখালী সদর উপজেলায় দিনমজুর পরিবারের পৈতৃক জমি দখলের অভিযোগ ​ বিয়ের প্রলোভন ও অশ্লীল ভিডিওর ভয় দেখিয়ে নারী নির্যাতন বিচ কার্নিভাল ও দুর্গাপূজাকে ঘিরে কুয়াকাটায়  লাখো পর্যটকের সম্ভাবনা, ৮০ শতাংশ হোটেল কক্ষ বুকিং ২ বছর সময় দিন, কিছু দাবি করতে হবেনা…এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি ডেঙ্গু ঝুঁকিতে সবুজবাগ,আরামবাগ, কালিকাপুর বাসিন্দারা

ডেঙ্গু ঝুঁকিতে সবুজবাগ,আরামবাগ, কালিকাপুর বাসিন্দারা

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬

মু,হেলাল আহম্মেদ(রিপন) ​পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালী পৌর শহরের দক্ষিণ সবুজবাগ ৪ নং ওয়ার্ড এলাকায় অবস্থিত জেলার ঐতিহ্যবাহী ভারানী খালটি সংস্কারের অভাবে আজ অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। পটুয়াখালী পৌরসভার ২ নং বাঁধ এলাকা থেকে শুরু হয়ে সদর উপজেলার টাউন কালিকাপুর,বহাল গাছিয়া, সিও অফিস, এলাকা অতিক্রম করে হেতালিয়া বাঁধ ঘাট পর্যন্ত বিস্তৃত এই ঐতিহাসিক ভারানী  জলাধারটি বর্তমানে কচুরিপানা ও বর্জ্যের স্তূপে পরিণত হয়েছে।

জঞ্জালে রূপ নেওয়া খালটি এখন পটুয়াখালী পৌরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও স্বাভাবিক পরিবেশের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ​ ডেঙ্গু আতঙ্কে বাসিন্দারাঃ   ​একসময় এই ভারানী খাল দিয়ে অবাধে লঞ্চ স্টিমার, নৌকা চলাচল করত এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রাত্যহিক পানির চাহিদা মেটাতে খালটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার বা পুনর্খনন না করায় এটি এখন মশার প্রজননক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। ​বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবের কারণে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন ৪ নং ওয়ার্ডসহ খালের দু’পাশের শত শত পরিবার। কচুরিপানায় ঢাকা স্থির পানিতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণে এডিস ও সাধারণ মশার বংশবৃদ্ধি ঘটছে, যার ফলে এলাকায় মশার উপদ্রব অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। ​ অত্এ লাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, পটুয়াখালী পৌরসভার একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ অতিক্রমকারী এই খালটি অবহেলার কারণে তার ঐতিহ্য হারিয়েছে।

খালের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ে, দেখা দেয় জলাবদ্ধতা। ​স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, “মশার অত্যাচারে দিনে-রাতে টিকাই কঠিন হয়ে পড়েছে। ডেঙ্গুর প্রকোপ যেভাবে বাড়ছে, তাতে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে প্রতিনিয়ত আতঙ্কে আছি।

খালটি যদি পরিষ্কার করা হতো, তবে আমরা এই মশার হাত থেকে রক্ষা পেতাম।” ​পৌর প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি ​দক্ষিণ সবুজবা, আরামবাগ, ও কালিকাপুর এলাকার সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা এবং মশার উপদ্রব থেকে নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে অবিলম্বে পৌর প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। ​

পৌরবাসীর দাবি, কচুরিপানা অপসারণ: দ্রুত জরুরি ভিত্তিতে খালের কচুরিপানা ও ভাসমান আবর্জনা পরিষ্কার করা। মশা নিধন কার্যক্রম: খাল সংলগ্ন এলাকায় নিয়মিত মশক নিধনের ওষুধ ছিটানো। পুনর্খনন ও নান্দনিক উন্নয়ন: খালটি পুনঃখনন করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা এবং ওয়াকওয়ে বা সীমানা প্রাচীর নির্মাণের মাধ্যমে খালের সৌন্দর্যবর্ধন ও অবৈধ দখল প্রতিরোধ করা।

​পটুয়াখালী পৌরসভা কর্তৃপক্ষ যদি বিষয়টির দিকে সদয় দৃষ্টি দেয় এবং দ্রুত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগ নেয়, তবে ঐতিহ্যবাহী এই খালটি তার হারানো রূপ ফিরে পাবে এবং পৌরবাসী ডেঙ্গুর মতো ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝাঁকি থেকে মুক্তি পেয়ে এক সুন্দর, নান্দনিক ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ লাভ করবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের ও সচেতন মহলের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category