মু,হেলাল আহম্মেদ(রিপন) পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি ঃ
পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে অটো রিকশাচালককে ভাড়া করে ভেতরে নিয়ে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে গলায় গামছা পেচিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় গতকাল রাতে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে পটুয়াখালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আহতের বাবা মো. জসিম হাওলাদার। থানায় দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৩ জুলাই সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের সামনে রিকশা চালানোর সময় শাহিন হাওলাদারকে ভাড়াকরে ভেতরে নিয়ে যান অভিযুক্তরা।
পরে বিকেল আনুমানিক ৩ টার দিকে তাকে সদর হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে আটকে রেখে ব্যপক মারধর করা হয়। এবং গলায় গামছা পেচিয়ে মেরে ফেলার ও চেষ্টা করা হয়।
অভিযোগে আরো বলা হয়, অভিযুক্তরা লাথী ও কিল-ঘুষি দিয়ে শাহিন হাওলাদারকে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করেন।
একপর্যায়ে তার কাছে থাকা নগদ ৩০ হাজার টাকা এবং একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। উক্ত ঘটনার সময় শাহিনের ডাক চিৎকার শুনেও আশপাশে কেউ এগিয়ে আসতে পারেননি বলে অভিযোগে স্পষ্ট করা হয়েছে। পরে স্থানীয় কিছু লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় শাহিনকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। লিখিত অভিযোগে মো. সোহেল, মো. শাকিল, মো. রাহাত, মো. তুহিন ও মো. কালাম হোসেন-সহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর নাম অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর বাবা মো. জসিম হাওলাদার অভিযোগে দাবী করেন, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরি, ছিনতাই,লুট চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছে।
পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ছেলেকে ডেকে নিয়ে এই হামলা ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার। এ বিষয়ে পটুয়াখালী থানার দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।