সর্বশেষ:
কলাপাড়ায় মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে ১৭টি মন্ডপে দূর্গা পূজার সূচনা কলাপাড়ায় জলাবায়ু পরিবর্তনে ন্যায্য ক্ষতিপুরণের দাবিতে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি বসতঘরে ঘুমিয়ে থাকা বাবার কোল থেকে ১০ মাস বয়সী শিশু নিখোজ রাখাইন সভাপতিকে মারধরের প্রতিবাদে কুয়াকাটায় সীমা বৌদ্ধ বিহারে পর্যটক দর্শনার্থীদের অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা ৪৫তম বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন হলেন বাউফলের মনামী বাউফলে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ ও শিশুকন্যাকে নির্যাত নের অভিযোগ নিষিদ্ধ সংগঠনসহ নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে সরকার: বাউফলে সেলিমা রহমান কলাপাড়ায় লাথি দিয়ে নারীর গর্ভপাত ও নবজাতকের মৃ/ত্যুর ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত এসআরবি’র হাতে গ্রেফতার কলাপাড়ায় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা কলাপাড়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশম দিবস পালিত

বাবাকে হ/ত্যার পর ছেলেকেও হ/ত্যা চেষ্টার অভিযোগ

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

কলাপাড়া (পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আলোচিত হারিচ আহম্মেদ হ/ত্যা মামলার বাদীকে হ/ত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আসামিদের বিরুদ্ধে। রোববার (০৪ অক্টোবর) সকাল ৯ টার দিকে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু সংলগ্ন টিয়াখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর।

পরে তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া ৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেও তাকে খুঁজতে গেলে প্রাণ রক্ষার তাগিদে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। এ ঘটনায় কলাপাড়া থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানান ভুক্তভোগী বাবুল মিয়া।

তবে তিনি এখন জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সাংবাদিক মহলসহ  মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এছাড়া রাজনৈতিক একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তিরা তাকে মামলা তুলে নিতে হুমকি প্রদান করছেন বলেও অভিযোগ তার।

বাবুল মিয়ার অভিযোগ, গত ১৯ জুলাই তার বাবা হারিচ আহম্মেদকে পিটিয়ে এবং কাদা পানিতে চুবিয়ে নির্মমভাবে হ/ত্যা করে স্থানীয় প্রভাবশালী বেশ কয়েক ব্যক্তি। এসময় তার পরিবারের আরও অনেক সদস্যকে অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে তিনি তার বাবার হ/ত্যার বিচার চেয়ে ২১ জুলাই একটি হ/ত্যা মামলা দায়ের করেন।

আর এরপর থেকেই তাকেও প্রাণে মারার পরিকল্পনা করে আসছে একই মামলার আসামীররা। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত কলাপাড়া সহ একাধিক যায়গায় আমাকে ডেকে নিয়ে মামলা তুলে নিয়ে আপোষ ফায়সালার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে।

সবশেষে গত রোববার মামলার হাজিরা দিতে কলাপাড়া কোর্টে আসার পথে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু সংলগ্ন টিয়াখালী এলাকায় তার পথের গতি রোধ করা হয়। এসময় তার স্ত্রী সঙ্গে থাকলেও তাকে অটোরিকশা মধ্যে থেকে টেনে হিচরে বের করে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা চেষ্টা চালায়।

কিন্তু তার স্ত্রীর ডাক চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে গেলে তিনি প্রাণ রক্ষা পান। তিনি বলেন, হ/ত্যা মামলার আসামী জসীম খন্দকারের নেতৃত্বে খলিল সহ বেশ কয়েকজন তাঁকে মারার সময় মামলা তুলে নেওয়ার জন্য একাধিক বার বলতে থাকে।

মারধরের পর তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় কোর্টে জিআরওর কাছে গেলে সেখান থেকে তাকে কলাপাড়া থানায় পাঠানো হয় বলে জানান তিনি। তার স্ত্রী সীমা বেগমের অভিযোগ, তার স্বামীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানে গিয়েও তাঁকে খুঁজতে থাকে একদল মানুষ। পরে প্রাণভয়ে কৌশলে তার স্বামীকে সরিয়ে নিয়ে অন্যত্র চলে যান তিনি। কিন্তু রাতে লুকিয়ে আবারও হাসপাতালে আসেন তারা।

এই নারীর অভিযোগ, তার স্বামীর জীবনের বিন্দু মাত্র নিরাপত্তা নেই। যেকোন সময়ে তাকেও তার শশুরের মতো হ/ত্যা করার পায়তারা চলছে। কিন্তু এবিষয়ে জানতে চাইলে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জসীম খন্দকার জানান, ওই ঘটনার দিন আমি কৃষি ক্ষেতে কাজ করছিলাম।

তার প্রমান পুলিশের কাছে রয়েছে। তিনি বলেন, আমাকে ষড়যন্ত্র করে হ/ত্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।  আমি তার বাবার মৃ/ত্যুর ঘটনায় কোন ভাবেই জড়িত নই।

কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন,  ঘটনার দিন মৌখিকভাবে অভিযোগ শুনে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এর সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত অফিসার মারামারির বিষয়ে জানতে পারেন নি। বাবুল মিয়া চাইলে আদালতে মামলা করতে পারেন বলে জানান এই কর্মকর্তা।

মোয়াজ্জেম হোসেন কলাপাড়া পটুয়াখালী


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category