সর্বশেষ:
ডিবি পরিচয়ে ছাত্রদল নেতাকে তুলে নিয়ে নির্যাতনে অভিযুক্ত ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার বিদ্যালয়ের গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ স্থানীয় জমিদাতা মান্নান ও প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কলাপাড়ায় এমইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জিন আতঙ্ক, ২০ ছাত্রী হাসপাতালে বরিশালে নারী উদ্যোক্তা নাজিয়া রহমানের মৃত্যুর ঘটনায় বিচার দাবিতে মানববন্ধন পটুয়াখালীতে ইয়াবার টাকা ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে জাকারিয়া হ/ত্যা, গ্রেফতার ৩, চোরাই মালামাল উদ্ধার বিশ্ব নদী দিবস-২০২৬।। কলাপাড়ায় আন্ধারমানিক নদীর দখল-দূষণ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কুুয়াকাটায় বর্নাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত কলাপাড়ায় ৭ মাসের অন্ত:সত্ত্বা নারীর পেটে লাথি, গর্ভপাতে নবজাতকের মৃ/ত্যু ১৫ জেলে নিয়ে বঙ্গোপসাগরে  ট্রলারডুবি কলাপাড়া  বিচার প্রার্থী মানুষের পক্ষে আইনজীবীদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে……. এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি

পাকিস্তানে দর্জির মেয়ের ইতিহাস, এমবিবিএস-এ ১৭টি স্বর্ণপদক জয়

Reporter Name / ১১৪ Time View
Update : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

ক্রাইমসিন ডেক্সঃ

খাইবার গার্লস মেডিকেল কলেজের (কেজিএমসি) ইতিহাসে এক অনন্য রেকর্ড গড়েছেন পাকিস্তানের হরিপুরের অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী কান্দিল মুর্তজা। ২০২৬ সালের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এমবিবিএস কোর্সে অসাধারণ ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ রেকর্ডসংখ্যক ১৭টি স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন।

পেশোয়ারে আয়োজিত এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কান্দিলের হাতে পদকগুলো তুলে দেন সোহাইল আফ্রিদি। এ সময় মঞ্চে কান্দিলের পাশে উপস্থিত ছিলেন তার গর্বিত বাবা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একজন দর্জি হয়েও শত কষ্টের মাঝে সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার সাফল্যের এক আবেগঘন মুহূর্ত। কলেজের ইতিহাসে এর আগে আর কোনো শিক্ষার্থীর এত বেশি স্বর্ণপদক অর্জনের নজির নেই।

অনুষ্ঠানে কান্দিল ছাড়াও আরও বেশ কজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে তাদের কৃতিত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। তাদের মধ্যে মুকাদ্দাস ১০টি স্বর্ণপদক এবং সাবীহ ৭টি স্বর্ণপদক অর্জন করেন।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে কান্দিলের বাবা তার পরিবারের শিক্ষাগত অর্জনের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে জানান যে, তার অন্য সন্তানরাও নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

কান্দিলের এক বোন বর্তমানে খাইবার মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করছেন। অন্য এক বোন ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সিতে (এফআইএ) গ্রেড-১৭ অফিসার হিসেবে কর্মরত। আরেক মেয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করে বর্তমানে ইসলামাবাদে কর্মরত আছেন।

তাদের একমাত্র ছেলেও একজন প্রকৌশলী।

কান্দিলের এই অসামান্য সাফল্য অনলাইন দুনিয়ায় ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে তার এই বিজয় এবং একটি সাধারণ পরিবারের উচ্চশিক্ষার প্রতি যে একাগ্রতা, তা এখন দেশটির লাখো শিক্ষার্থীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category