সর্বশেষ:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের পিরোজপুর জেলা কমিটিতে মিঠু হাওলাদার অসহায় বৃদ্ধের চিকিৎসা সহায়তায় কলাপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাব বিএনপি নেতার জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে খাসজমি দখল ও হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ৬২ হাজার টন কয়লা নিয়ে পায়রা বন্দরে ভিড়ল সাড়ে ১৩ মিটার গভীরতার মাদার ভ্যাসেল দুই শিক্ষক দিয়ে চলছে বাউফল নার্সিং ইনস্টিটিউট, ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম বরিশালে জেন্ডার সমতা ও ডিজিটাল নিরাপত্তায় সক্ষমতা বাড়াতে কর্মশালা ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বাউফলে নিজ কার্যালয়ে বসেন না স্যানিটারি ইন্সপেক্টর, সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ পায়রা বন্দরের উপপরিচালকের সাথে কলাপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাব সদস্যদের মতবিনিময় ভিডিও ধারন করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ, কবিরাজ গ্রেফতার

রূপপুরের সেই বালিশ জাদুঘরে রাখা উচিত, বললেন প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name / ১৪৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পেশ করা সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ৩৮টি রিপোর্টের মধ্যে স্থান পেয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সেই আলোচিত ‘বালিশ কাণ্ডের’ দুর্নীতির প্রতিবেদন।

২০১৯ সালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ‘গ্রিন সিটি’ আবাসিক ভবনে আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী কেনাকাটায় অস্বাভাবিক মূল্য নিয়ে ‘বালিশ কাণ্ড’ দুর্নীতি সামনে আসে। প্রতিটি বালিশ কেনায় ৫,৯৫৭ টাকা এবং তা ওপরে তোলার খরচসহ অন্যান্য সামগ্রীতে কোটি টাকার জালিয়াতি হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ‘বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার অডিট রিপোর্ট পেশ করেছেন। সেখানে বালিশ কাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদনও আছে।’

প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেদনে প্রতিটি বালিশের এরকম অবিশ্বাস্য দাম শুনে সিএজিকে বলেছেন, এই দামি বালিশের একটি জাদুঘরে রাখা উচিত।

আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ২০২১-২২ অর্থ বছরের অডিট রিপোর্ট পেশ করেন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম।

‘বালিশ কাণ্ড’ দুর্নীতির ওই প্রকল্পে আবাসিক ভবনের জন্য ১৬৯ কোটি টাকার কেনাকাটায় পদে পদে দুর্নীতি হয়। সেখানে প্রতিটি বালিশ কিনতে খরচ দেখানো হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। আর প্রতিটি বালিশ আবাসিক ভবনের খাটে তোলার মজুরি দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা। কভারসহ কমফোর্টারের (লেপ বা কম্বলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত) দাম ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৮০০ টাকা। যদিও এর বাজারমূল্য সাড়ে ৪ হাজার থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১৩ হাজার টাকা। একইভাবে বিদেশি বিছানার চাদর কেনা হয়েছে ৫ হাজার ৯৩৬ টাকায়। এর বাজারমূল্য অবশ্য ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা।

অডিট রিপোর্ট পেশকালে মন্ত্রি পরিষদে সচিব নাসিমুল গনি, অর্থ সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার, প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category