সর্বশেষ:
ইন্টারকন্টিনেন্টালে টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অফ বাংলাদেশ (ট্রাব) কর্তৃক ‘গুণীজন সম্মাননা ও ক্রেস্ট প্রদান’ অনুষ্ঠান  বরিশাল নগরীর ভাটিখানা সাহাপাড়া মোড় সংলগ্ন সড়ক দুর্ঘটনা কলাপাড়ায় নারী পুলিশ সদস্যদের ম/র/দে/হ উদ্ধার পটুয়াখালীতে ভারী বৃষ্টিতে মুগডাল পানির নিচে, দিশেহারা প্রান্তিক কৃষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র মানসিক চাপে থাকে : ইউজিসি চেয়ারম্যান ৭ম দিনের এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২০ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৮ জন ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে বড় পরিবর্তনের নির্দেশ আসতে পারে ভবন পাচ্ছে চট্টগ্রাম কাস্টমস, আপাতত ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চলবে কাজ ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড গাড়িতে ঋণসীমা বাড়ালো বাংলাদেশ ব্যাংক সকালে মুখ শুষ্ক থাকে? জেনে নিন কারণ

পটুয়াখালীতে ভারী বৃষ্টিতে মুগডাল পানির নিচে, দিশেহারা প্রান্তিক কৃষকরা

Reporter Name / ১৬ Time View
Update : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

মু,হেলাল আহম্মেদ(রিপন) পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ

কালবৈশাখী ঝড় আর টানা ভারী বৃষ্টিতে পটুয়াখালীর বিস্তীর্ণ ফসলি জমি এখন পানির নিচে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লাভজনক ফসল হিসেবে পরিচিত মুগডাল।

বাম্পার ফলনের আশা নিয়ে যারা এ মৌসুমে মাঠে নেমেছিলেন, সেই হাজারো কৃষক এখন বড় ধরনের লোকসানের শঙ্কায় দিশেহারা।

জেলার আটটি উপজেলার নিচু জমিগুলোতে পানি জমে থাকায় মাঠের পর মাঠ মুগডাল ক্ষেত তলিয়ে গেছে।

একই সঙ্গে মরিচ, চিনাবাদাম, আলুসহ অন্যান্য রবি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। অনেক ক্ষেতেই গাছের গোড়া পচে যাওয়ায় ফলন অর্ধেকে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

সদর উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের কৃষক মনিরুল ইসলাম এ মৌসুমে এক একরের বেশি জমিতে মুগডাল আবাদ করেছিলেন। শুরু থেকেই ফলনের অবস্থা ছিল আশানুরূপ। কিন্তু হঠাৎ টানা বৃষ্টিতে তার পুরো ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে যায়।

মনিরুল ইসলাম বলেন, অনেক আশা কইরা মুগডাল লাগাইছিলাম। ফলনও ভালো আছিল। কিন্তু এই বৃষ্টিতে সব শেষ হইয়া গেছে।

এখন খরচও উঠবে না, কী করমু বুঝতেছি না। একই চিত্র দেখা গেছে জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও। বাউফল উপজেলার কৃষক আব্দুল করিম বলেন, পানি জমে থাকার কারণে ডাল গাছ পচে যাচ্ছে। দ্রুত না কাটলে পুরো ফসল নষ্ট হয়ে যাবে।

দুমকি উপজেলার কৃষক শাহীন হাওলাদার জানান, আধা-পাকা ডাল কেটে তুলতে বাধ্য হচ্ছি। এতে ফলন কম হচ্ছে, দামও ঠিকমতো পাওয়া যাবে না। কলাপাড়া উপজেলার কৃষক রহিমা বেগম বলেন, এই ফসলই ছিল আমাদের সংসারের ভরসা।

এখন কীভাবে চলবো বুঝতে পারছি না। কৃষকদের দাবি, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রণোদনা না দিলে অনেকেই ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন না। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে পটুয়াখালীতে ৮৬ হাজার ২শ ১৬ হেক্টর জমিতে মুগডালের আবাদ হয়েছে।

এর মধ্যে প্রায় ৫২ হাজার হেক্টর জমির ফসল বর্তমানে ক্ষতির মুখে রয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ- পরিচালক ড. মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে নিচু জমিতে পানি জমে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ইতিমধ্যে তালিকা প্রস্তুত করছি।

তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা ও প্রণোদনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category